displaying: http://newsweather.org/feed

News Weather
“অনেক চেষ্টার পরও আমার বিয়ে হচ্ছে না! ভাগ্যই কি খারাপ?”
East Bengal সমর্থকের প্রাণ বাঁচাতে একজোট শহরের ‘লাল-হলুদ ব্রিগেড’, ফেসবুকের মাধ্যমে অর্থ সাহায্য
‘Geen melk door droogte’ pakt verrassend uit – Jumbo behandelt boeren niet langer als Coca-Cola – Foodlog
New method to synchronize devices on Earth makes use of cosmic rays
Uitgebreide reportage over het stikstofdrama van Averbode – Zelf geplante eiken oorzaak einde oude Vlaamse boerderij-abdij? – Foodlog
Pulitzer Prize 2022: কোভিডকালের ছবি স্তম্ভিত করেছে বিশ্বকে, মরণোত্তর পুলিৎজার Danish Siddiqui-র
Mr Bean: এবার বাংলাদেশের মাটিতে Mr Bean! হেসে কুটোপাটি ওপার বাংলা
Best free sci-fi short movies
Guerre en Ukraine : la Russie accusée d’être derrière la cyberattaque ayant visé le réseau du satellite KA-SAT
অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে সহকারী নিয়োগ: ১০০ শূন্যপদের জন্য কীভাবে করবেন আবেদন?

MagpieRSS Object
(
    [parser] => 0
    [current_item] => Array
        (
        )

    [items] => Array
        (
            [0] => Array
                (
                    [title] => “অনেক চেষ্টার পরও আমার বিয়ে হচ্ছে না! ভাগ্যই কি খারাপ?”
                    [link] => https://newsweather.org/sport/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a7%9f/
                    [dc] => Array
                        (
                            [creator] => Pauline Moonlky
                        )

                    [pubdate] => Tue, 10 May 2022 16:29:56 +0000
                    [category] => Sportঅনকআমরকখরপচষটরনপরওবয়ভগযইহচছ
                    [guid] => https://newsweather.org/?p=57916
                    [description] => প্রশ্ন: আমার বয়স ২৯। এখনও সিঙ্গল। আমি চাকরি করি ব্যাংকে। বেতনও ভালো। কিন্তু মুশকিল হল, এত কিছুর পরও আমার বিয়ে হচ্ছে না। আসলে শেষ একবছর ধরে বাবা-মা আমার জন্য একটি সুযোগ্য পাত্রী খোঁজার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এরপরও মিলছে না সেই পাত্রী। এক্ষেত্রে বারবার পাত্রীর পরিবার থেকে আসছে বাধা। কুণ্ডলিও মিলছে না বলা হচ্ছে। এবার আমিও ... Read more
                    [content] => Array
                        (
                            [encoded] => 
প্রশ্ন: আমার বয়স ২৯। এখনও সিঙ্গল। আমি চাকরি করি ব্যাংকে। বেতনও ভালো। কিন্তু মুশকিল হল, এত কিছুর পরও আমার বিয়ে হচ্ছে না। আসলে শেষ একবছর ধরে বাবা-মা আমার জন্য একটি সুযোগ্য পাত্রী খোঁজার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এরপরও মিলছে না সেই পাত্রী। এক্ষেত্রে বারবার পাত্রীর পরিবার থেকে আসছে বাধা। কুণ্ডলিও মিলছে না বলা হচ্ছে। এবার আমিও অনেক চেষ্টা করছি। কিন্তু এরপরও বিয়ে কোনওভাবেই হচ্ছে না। আমি ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটেও নিজের নাম নথিভুক্ত করেছি। এমনকী বিজ্ঞাপন দিয়েছি কাগজেও। কিন্তু এতকিছু করার পরও ফলাফল কিন্তু সব জায়গাতেই আসছে সমান।

এদিকে আমার বা আমার পরিবারের মধ্যে কোনও খামতি নেই। আমি একটি শিক্ষিত এবং মুক্ত মনোভাবাপন্ন বাড়ি থেকে বড় হয়েছি। এদিকে আমার কাজও রয়েছে ঠিকই। ভালো টাকাই প্রতিমাসে বেতন পাই। জীবন সব কিছুতেই আমায় দিয়েছে। কিন্তু বিয়ে করে সেটেল হতে আর দিচ্ছে না। এমনকী বারবার প্রয়াস করার পরও ব্যর্থ হচ্ছি। এখন আমার অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছে যে নিজেকে ভাগ্যের কাছে হেরে গিয়েছি মনে হচ্ছে। আমার মনে হয়, এমন কোনও মানুষকে আমি পাব না যিনি সংসার ঠিক রাখতে পারবেন, আমায় ভালোবাসতে (Love) পারবেন। এখন বুঝতে পারছি না, আমার ঠিক কী করা উচিত? কী করলে এই যন্ত্রণা থেকে মিলবে মুক্তি?

​বিশেষজ্ঞের উত্তর

মুম্বইয়ের রিলেশনশিপ কাউন্সেলর রচনা আভত্রামানি বলছেন, আমি বুঝতে পারছি যে একজন সঠিক জীবনসঙ্গীনি খুঁজে পেতে আপনার সমস্যা হচ্ছে। তবে এটা জানার পরও আমি আপনাকে বলব যে কোনওভাবেই হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। নিজের জন্য সঠিক সঙ্গী খুঁজে নেওয়াটা সহজ কোনও কাজ নয়। এই কাজে প্রতিপদে সমস্যা লেগে থাকতেই পারে। তবে আপনি হাল ছেড়ে দেবেন না। বরং এখন ইন্টারনেটের দৌলতে অসংখ্য মানুষ নিজের মন মতো সঙ্গী খুঁজে নিচ্ছেন।

​এই বিষয়গুলি নিয়ে ভাববেন না

ei samay

আপনার বয়স ২৯। এখন আপনি নিজের নাম রেজিস্টার করেছেন ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে নিজে একটি সম্পর্কে যেতে পারছেন না বলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এমনকী নিজের ভাগ্যকেও দিচ্ছেন দোষ। তবে আপনাকে বলে রাখি, এটা আগে থেকে কোনওভাবেই বোঝা যাবে না যে কোন মানুষটির সঙ্গে কখন আপনার দেখা হয়ে যাবে। এমনকী হয়ে যেতে পারে মন দেওয়া নেওয়া।

​সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা

ei samay

আসলে সবকিছুই সময়ের উপর নির্ভর করে। কোনও কিছুই সময়ের আগে হবে না। তাই সেই মানুষটির দেখাও আপনি ঠিক সময়েই পাবেন। নিজের উপর এইটুকু ভরসা আপনাকে অবশ্যই রাখতে হবে। তবেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে যেতে পারবেন আপনি। এছাড়া মনের ভিতর অবসাদ আনতে দেবেন না। এমনকী নিজেকে দোষও দেবেন না। আর খুব সমস্যা হলে একজন কাউন্সেলরের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিন।

​বিশ্বাস রাখতে হবে

ei samay

আপনি যদি নিজের সমস্ত আশা ছেড়ে দিয়ে থাকেন, তবুও একটি ভালো পাত্রীর সঙ্গে সংযোগ হতেই পারে। যদিও আমার পরামর্শ হল, আপনি নিজেকে আরও একটু তৈরি করে নিন। আপনি কী চাইছেন এই বিষয়টির দিকেও রাখতে হবে নজর। তবে মনে রাখবেন, বিয়ে কিন্তু গোটা জীবনের বিষয়। আজ দেখা, আর কালই সম্পর্কে চলে গেলাম, বিষয়টি কিন্তু একেবারেই তা নয়। তাই আপনাকে নিজের মাথায় অবশ্যই এই বিষয়গুলি রাখতে হবে। তবেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে যাওয়া হবে সহজ।

এক্ষেত্রে একটু ধৈর্য রাখুন। কারণ ধৈর্যর থেকে ভালো কোনও সমস্যা সমাধানের উপায় মানুষের কাছে নেই। তাই চিন্তার নেই কোনও কারণ।

প্রতিবেদন সৌজন্যে: নবভারত টাইমস

मेरी कहानी: लाख कोशिशों के बाद भी मेरी शादी नहीं हो रही, क्या मेरी किस्मत में यही लिखा है

We wish to say thanks to the writer of this short article for this remarkable material

“অনেক চেষ্টার পরও আমার বিয়ে হচ্ছে না! ভাগ্যই কি খারাপ?”

) [summary] => প্রশ্ন: আমার বয়স ২৯। এখনও সিঙ্গল। আমি চাকরি করি ব্যাংকে। বেতনও ভালো। কিন্তু মুশকিল হল, এত কিছুর পরও আমার বিয়ে হচ্ছে না। আসলে শেষ একবছর ধরে বাবা-মা আমার জন্য একটি সুযোগ্য পাত্রী খোঁজার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এরপরও মিলছে না সেই পাত্রী। এক্ষেত্রে বারবার পাত্রীর পরিবার থেকে আসছে বাধা। কুণ্ডলিও মিলছে না বলা হচ্ছে। এবার আমিও ... Read more [atom_content] =>
প্রশ্ন: আমার বয়স ২৯। এখনও সিঙ্গল। আমি চাকরি করি ব্যাংকে। বেতনও ভালো। কিন্তু মুশকিল হল, এত কিছুর পরও আমার বিয়ে হচ্ছে না। আসলে শেষ একবছর ধরে বাবা-মা আমার জন্য একটি সুযোগ্য পাত্রী খোঁজার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এরপরও মিলছে না সেই পাত্রী। এক্ষেত্রে বারবার পাত্রীর পরিবার থেকে আসছে বাধা। কুণ্ডলিও মিলছে না বলা হচ্ছে। এবার আমিও অনেক চেষ্টা করছি। কিন্তু এরপরও বিয়ে কোনওভাবেই হচ্ছে না। আমি ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটেও নিজের নাম নথিভুক্ত করেছি। এমনকী বিজ্ঞাপন দিয়েছি কাগজেও। কিন্তু এতকিছু করার পরও ফলাফল কিন্তু সব জায়গাতেই আসছে সমান।

এদিকে আমার বা আমার পরিবারের মধ্যে কোনও খামতি নেই। আমি একটি শিক্ষিত এবং মুক্ত মনোভাবাপন্ন বাড়ি থেকে বড় হয়েছি। এদিকে আমার কাজও রয়েছে ঠিকই। ভালো টাকাই প্রতিমাসে বেতন পাই। জীবন সব কিছুতেই আমায় দিয়েছে। কিন্তু বিয়ে করে সেটেল হতে আর দিচ্ছে না। এমনকী বারবার প্রয়াস করার পরও ব্যর্থ হচ্ছি। এখন আমার অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছে যে নিজেকে ভাগ্যের কাছে হেরে গিয়েছি মনে হচ্ছে। আমার মনে হয়, এমন কোনও মানুষকে আমি পাব না যিনি সংসার ঠিক রাখতে পারবেন, আমায় ভালোবাসতে (Love) পারবেন। এখন বুঝতে পারছি না, আমার ঠিক কী করা উচিত? কী করলে এই যন্ত্রণা থেকে মিলবে মুক্তি?

​বিশেষজ্ঞের উত্তর

মুম্বইয়ের রিলেশনশিপ কাউন্সেলর রচনা আভত্রামানি বলছেন, আমি বুঝতে পারছি যে একজন সঠিক জীবনসঙ্গীনি খুঁজে পেতে আপনার সমস্যা হচ্ছে। তবে এটা জানার পরও আমি আপনাকে বলব যে কোনওভাবেই হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। নিজের জন্য সঠিক সঙ্গী খুঁজে নেওয়াটা সহজ কোনও কাজ নয়। এই কাজে প্রতিপদে সমস্যা লেগে থাকতেই পারে। তবে আপনি হাল ছেড়ে দেবেন না। বরং এখন ইন্টারনেটের দৌলতে অসংখ্য মানুষ নিজের মন মতো সঙ্গী খুঁজে নিচ্ছেন।

​এই বিষয়গুলি নিয়ে ভাববেন না

ei samay

আপনার বয়স ২৯। এখন আপনি নিজের নাম রেজিস্টার করেছেন ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে নিজে একটি সম্পর্কে যেতে পারছেন না বলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এমনকী নিজের ভাগ্যকেও দিচ্ছেন দোষ। তবে আপনাকে বলে রাখি, এটা আগে থেকে কোনওভাবেই বোঝা যাবে না যে কোন মানুষটির সঙ্গে কখন আপনার দেখা হয়ে যাবে। এমনকী হয়ে যেতে পারে মন দেওয়া নেওয়া।

​সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা

ei samay

আসলে সবকিছুই সময়ের উপর নির্ভর করে। কোনও কিছুই সময়ের আগে হবে না। তাই সেই মানুষটির দেখাও আপনি ঠিক সময়েই পাবেন। নিজের উপর এইটুকু ভরসা আপনাকে অবশ্যই রাখতে হবে। তবেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে যেতে পারবেন আপনি। এছাড়া মনের ভিতর অবসাদ আনতে দেবেন না। এমনকী নিজেকে দোষও দেবেন না। আর খুব সমস্যা হলে একজন কাউন্সেলরের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিন।

​বিশ্বাস রাখতে হবে

ei samay

আপনি যদি নিজের সমস্ত আশা ছেড়ে দিয়ে থাকেন, তবুও একটি ভালো পাত্রীর সঙ্গে সংযোগ হতেই পারে। যদিও আমার পরামর্শ হল, আপনি নিজেকে আরও একটু তৈরি করে নিন। আপনি কী চাইছেন এই বিষয়টির দিকেও রাখতে হবে নজর। তবে মনে রাখবেন, বিয়ে কিন্তু গোটা জীবনের বিষয়। আজ দেখা, আর কালই সম্পর্কে চলে গেলাম, বিষয়টি কিন্তু একেবারেই তা নয়। তাই আপনাকে নিজের মাথায় অবশ্যই এই বিষয়গুলি রাখতে হবে। তবেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে যাওয়া হবে সহজ।

এক্ষেত্রে একটু ধৈর্য রাখুন। কারণ ধৈর্যর থেকে ভালো কোনও সমস্যা সমাধানের উপায় মানুষের কাছে নেই। তাই চিন্তার নেই কোনও কারণ।

প্রতিবেদন সৌজন্যে: নবভারত টাইমস

मेरी कहानी: लाख कोशिशों के बाद भी मेरी शादी नहीं हो रही, क्या मेरी किस्मत में यही लिखा है

We wish to say thanks to the writer of this short article for this remarkable material

“অনেক চেষ্টার পরও আমার বিয়ে হচ্ছে না! ভাগ্যই কি খারাপ?”

[date_timestamp] => 1652200196 ) [1] => Array ( [title] => East Bengal সমর্থকের প্রাণ বাঁচাতে একজোট শহরের ‘লাল-হলুদ ব্রিগেড’, ফেসবুকের মাধ্যমে অর্থ সাহায্য [link] => https://newsweather.org/sport/east-bengal-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87/ [dc] => Array ( [creator] => Harry World ) [pubdate] => Tue, 10 May 2022 16:12:29 +0000 [category] => SportBengalEastঅরথএকজটপরণফসবকরবচতবরগডমধযমললহলদশহররসমরথকরসহযয [guid] => https://newsweather.org/?p=57910 [description] => বাঙালি ফুটবল প্রাণ! প্রাণ বাঁচাতেও তাই ফুটবলপ্রেমীরাই ভরসা!! লাল, হলুদ-সবুজ মেরুনে ঝগড়া চলতেই থাকবে, কিন্তু, কোনও ফুটবলপ্রেমীর সমস্যায় থাকার খবর পেলে বাঙালি কি আর হাত পা গুটিয়ে বসে থাকতে পারে! ছোট বেলা থেকেই ইস্টবেঙ্গল সমর্থক বেলুড়ের সুব্রত ঘোষ। ঘনিষ্ঠরা বলেন, তাঁর পায়েও নাকি বল ‘কথা বলত’। কিন্তু, অভাবের তাড়নায় তিনি ফুটবল থেকে পা সরিয়ে নিয়েছিলেন ... Read more [content] => Array ( [encoded] =>
বাঙালি ফুটবল প্রাণ! প্রাণ বাঁচাতেও তাই ফুটবলপ্রেমীরাই ভরসা!! লাল, হলুদ-সবুজ মেরুনে ঝগড়া চলতেই থাকবে, কিন্তু, কোনও ফুটবলপ্রেমীর সমস্যায় থাকার খবর পেলে বাঙালি কি আর হাত পা গুটিয়ে বসে থাকতে পারে! ছোট বেলা থেকেই ইস্টবেঙ্গল সমর্থক বেলুড়ের সুব্রত ঘোষ। ঘনিষ্ঠরা বলেন, তাঁর পায়েও নাকি বল ‘কথা বলত’। কিন্তু, অভাবের তাড়নায় তিনি ফুটবল থেকে পা সরিয়ে নিয়েছিলেন বহুদিন। কিন্তু, ‘ইস্টবেঙ্গল সমর্থক’ হিসেবেই তিনি জনপ্রিয়। কিন্তু, সম্প্রতি জটিল রোগ থাবা বসিয়েছে তাঁর দেহে। আপাতত শয্যাশায়ী সুব্রত। এদিকে পেশায় গাড়িচালক সুব্রতর স্ত্রী পড়েছিলেন আতান্তরে। স্বামীর চিকিৎসার খরচ কীভাবে জোগাবেন, তা ভাবনা চিন্তা করতে গিয়ে রাতের ঘুম উড়েছিল। এই পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসেন ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকরা। ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের একটি ফেসবুক গ্রুপে সুব্রতর শারীরিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে একটি পোস্ট করা হয়। যেখানে সুব্রতর স্ত্রী সুদেষ্ণাকে অর্থসাহায্যের জন্য আবেদন জানানো হয়। এরপরেই এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থককে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন অন্যান্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফুটবল দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে অভ্র মণ্ডল
ঠিক কী হয়েছে সুব্রতর?
তাঁর স্ত্রী সুদেষ্ণা ঘোষের সঙ্গে এই সময় ডিজিটাল-এর তরফে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “স্বামী গত ১৫-১৬ বছর ধরে নাক ডাকত। আজ আমার আড়াই বছর হল বিয়ে হয়েছে। বিয়ে হয়ে আসার পর দেখি নাক ডাকার সমস্যা আরও বাড়তে শুরু করে, নিঃশ্বাস নিতে ওঁর অসুবিধা হত। আমি ENT স্পেশালিস্টকে দেখায়। এরপর একটি পরীক্ষার পর জানা যায় আমার স্বামী গুরুতর রোগে আক্রান্ত। আমাকে Auto cpap মেশিন লাগাতে বলা হয়।”

eisamayMohun Bagan: মোহনবাগান প্রেসিডেন্টের দৌড়ে এগিয়ে শ্যামল
সুদেষ্ণা আরও বলেন, “cpap মেশিনের অনেক দাম। প্রথমে মাসিক চার হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে এই মেশিন কিনেছিলান। কিন্তু, স্বামী গাড়ি চালক। প্রত্যেক মাসে এত টাকা দেওয়া আমাদের পক্ষেও সম্ভব হচ্ছিল না। আমার স্বামী ইস্টবেঙ্গলের অনেক বড় ভক্ত। ওঁর এই রোগ হয়েছে শুনে ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকরা এগিয়ে এসেছে। ওঁদের একাধিক ফেসবুক গ্রুপে সাহায্য চাওয়া হয়েছে স্বামীর জন্য। কিছু সাহায্য পেয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “অপর এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থক এই মেশিন মাসিক আড়াই হাজারে ব্যবহারের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।”

eisamayনিলামে মারাদোনার ‘হ্যান্ড অফ গড’ জার্সি, দাম শুনলে চোখ উঠবে কপালে
সুদেষ্ণার কথায়, এই মেশিন কেনার জন্য ৪৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাগবে। কীভাবে এত টাকা জোগাড় করব কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। সুদেষ্ণাদেবী জানান, তিনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কারওর সঙ্গে যোগাযোগ করে উঠতে পারেননি। তবে ফুটবলপ্রেমীরা যেভাবে তাঁদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তাতে স্বাভাবিকভাবেই খুশি তিনি।

We wish to give thanks to the writer of this write-up for this amazing content

East Bengal সমর্থকের প্রাণ বাঁচাতে একজোট শহরের ‘লাল-হলুদ ব্রিগেড’, ফেসবুকের মাধ্যমে অর্থ সাহায্য

) [summary] => বাঙালি ফুটবল প্রাণ! প্রাণ বাঁচাতেও তাই ফুটবলপ্রেমীরাই ভরসা!! লাল, হলুদ-সবুজ মেরুনে ঝগড়া চলতেই থাকবে, কিন্তু, কোনও ফুটবলপ্রেমীর সমস্যায় থাকার খবর পেলে বাঙালি কি আর হাত পা গুটিয়ে বসে থাকতে পারে! ছোট বেলা থেকেই ইস্টবেঙ্গল সমর্থক বেলুড়ের সুব্রত ঘোষ। ঘনিষ্ঠরা বলেন, তাঁর পায়েও নাকি বল ‘কথা বলত’। কিন্তু, অভাবের তাড়নায় তিনি ফুটবল থেকে পা সরিয়ে নিয়েছিলেন ... Read more [atom_content] =>
বাঙালি ফুটবল প্রাণ! প্রাণ বাঁচাতেও তাই ফুটবলপ্রেমীরাই ভরসা!! লাল, হলুদ-সবুজ মেরুনে ঝগড়া চলতেই থাকবে, কিন্তু, কোনও ফুটবলপ্রেমীর সমস্যায় থাকার খবর পেলে বাঙালি কি আর হাত পা গুটিয়ে বসে থাকতে পারে! ছোট বেলা থেকেই ইস্টবেঙ্গল সমর্থক বেলুড়ের সুব্রত ঘোষ। ঘনিষ্ঠরা বলেন, তাঁর পায়েও নাকি বল ‘কথা বলত’। কিন্তু, অভাবের তাড়নায় তিনি ফুটবল থেকে পা সরিয়ে নিয়েছিলেন বহুদিন। কিন্তু, ‘ইস্টবেঙ্গল সমর্থক’ হিসেবেই তিনি জনপ্রিয়। কিন্তু, সম্প্রতি জটিল রোগ থাবা বসিয়েছে তাঁর দেহে। আপাতত শয্যাশায়ী সুব্রত। এদিকে পেশায় গাড়িচালক সুব্রতর স্ত্রী পড়েছিলেন আতান্তরে। স্বামীর চিকিৎসার খরচ কীভাবে জোগাবেন, তা ভাবনা চিন্তা করতে গিয়ে রাতের ঘুম উড়েছিল। এই পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসেন ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকরা। ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের একটি ফেসবুক গ্রুপে সুব্রতর শারীরিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে একটি পোস্ট করা হয়। যেখানে সুব্রতর স্ত্রী সুদেষ্ণাকে অর্থসাহায্যের জন্য আবেদন জানানো হয়। এরপরেই এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থককে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন অন্যান্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফুটবল দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে অভ্র মণ্ডল
ঠিক কী হয়েছে সুব্রতর?
তাঁর স্ত্রী সুদেষ্ণা ঘোষের সঙ্গে এই সময় ডিজিটাল-এর তরফে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “স্বামী গত ১৫-১৬ বছর ধরে নাক ডাকত। আজ আমার আড়াই বছর হল বিয়ে হয়েছে। বিয়ে হয়ে আসার পর দেখি নাক ডাকার সমস্যা আরও বাড়তে শুরু করে, নিঃশ্বাস নিতে ওঁর অসুবিধা হত। আমি ENT স্পেশালিস্টকে দেখায়। এরপর একটি পরীক্ষার পর জানা যায় আমার স্বামী গুরুতর রোগে আক্রান্ত। আমাকে Auto cpap মেশিন লাগাতে বলা হয়।”

eisamayMohun Bagan: মোহনবাগান প্রেসিডেন্টের দৌড়ে এগিয়ে শ্যামল
সুদেষ্ণা আরও বলেন, “cpap মেশিনের অনেক দাম। প্রথমে মাসিক চার হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে এই মেশিন কিনেছিলান। কিন্তু, স্বামী গাড়ি চালক। প্রত্যেক মাসে এত টাকা দেওয়া আমাদের পক্ষেও সম্ভব হচ্ছিল না। আমার স্বামী ইস্টবেঙ্গলের অনেক বড় ভক্ত। ওঁর এই রোগ হয়েছে শুনে ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকরা এগিয়ে এসেছে। ওঁদের একাধিক ফেসবুক গ্রুপে সাহায্য চাওয়া হয়েছে স্বামীর জন্য। কিছু সাহায্য পেয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “অপর এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থক এই মেশিন মাসিক আড়াই হাজারে ব্যবহারের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।”

eisamayনিলামে মারাদোনার ‘হ্যান্ড অফ গড’ জার্সি, দাম শুনলে চোখ উঠবে কপালে
সুদেষ্ণার কথায়, এই মেশিন কেনার জন্য ৪৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাগবে। কীভাবে এত টাকা জোগাড় করব কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। সুদেষ্ণাদেবী জানান, তিনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কারওর সঙ্গে যোগাযোগ করে উঠতে পারেননি। তবে ফুটবলপ্রেমীরা যেভাবে তাঁদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তাতে স্বাভাবিকভাবেই খুশি তিনি।

We wish to give thanks to the writer of this write-up for this amazing content

East Bengal সমর্থকের প্রাণ বাঁচাতে একজোট শহরের ‘লাল-হলুদ ব্রিগেড’, ফেসবুকের মাধ্যমে অর্থ সাহায্য

[date_timestamp] => 1652199149 ) [2] => Array ( [title] => ‘Geen melk door droogte’ pakt verrassend uit – Jumbo behandelt boeren niet langer als Coca-Cola – Foodlog [link] => https://newsweather.org/magazine/geen-melk-door-droogte-pakt-verrassend-uit-jumbo-behandelt-boeren-niet-langer-als-coca-cola-foodlog/ [dc] => Array ( [creator] => Pauline Moonlky ) [pubdate] => Tue, 10 May 2022 16:06:05 +0000 [category] => MagazineALSbehandeltBoerenCocaColadoordroogteFoodloggeenJumbolangermelknietpaktuitverrassend [guid] => https://newsweather.org/?p=57904 [description] => Boerenbestuurder, melkveehouder en vader van een Boer-zoekt-Vrouw-kandidaat Jos Verstraten liet weten dat het flauwekul moest zijn. Ook BBB-voorvrouw Caroline van der Plas voelde aan haar water aan dat het briefje niet op waarheid kon berusten en vroeg Jumbo om opheldering. Nederland maakt genoeg melk voor vijf Nederlanden, zelfs in de winter als de koeien helemaal ... Read more [content] => Array ( [encoded] =>

Boerenbestuurder, melkveehouder en vader van een Boer-zoekt-Vrouw-kandidaat Jos Verstraten liet weten dat het flauwekul moest zijn. Ook BBB-voorvrouw Caroline van der Plas voelde aan haar water aan dat het briefje niet op waarheid kon berusten en vroeg Jumbo om opheldering. Nederland maakt genoeg melk voor vijf Nederlanden, zelfs in de winter als de koeien helemaal geen vers gras eten.

Verstraten en Van der Plas hadden gelijk; dat bleek uit een intern bericht van FrieslandCampina, de melkleverancier van Jumbo, aan zijn boeren. Niks melktekort, liet de coöperatie haar leden weten. Ook Jumbo moest dat toegeven.

Toen maandag een Jumbo-winkelier uit Woerden in keurige woorden vertelde hoe het zat, werd definitief duidelijk wat er echt aan de hand is. De boeren willen beter betaald worden omdat hun energie- en voerkosten door de oorlog in Oekraïne omhoog gejaagd worden. En daar ging Jumbo niet in mee. En daarom draaide boerencoöperatie Royal FrieslandCampina de kraan dicht: geen betere prijs, geen melk. Zo onderhandelen Coca-Cola, Nestlé of Unilever ook met Jumbo als de supermarktinkopers de prijs die zij willen vangen niet van plan zijn te betalen. Ze leveren niet meer, met als gevolg lege schappen. Consumenten gaan dan elders hun geliefde merken kopen en doen daar dan meteen ook de rest van hun boodschappen.

Nog vele duizenden boeren moeten hun heil elders zien te vinden

Waarom niet bij Albert Heijn?
Maar waarom gebeurde iets soortgelijks niet bij marktleider Albert Heijn? Die pak je als fabrikant nl. liefst het eerste aan. Het blauwe merk werkt al sinds 2018 exclusief met een toegewijde groep boeren om ‘Beter voor …’-melk te maken. Met zulke boeren ga je anders om. AH betaalt hen al heel wat jaren meer dan de markt, niet alleen voor luxe melk maar sinds 2021 ook nog eens voor het doodgewone budgetmerk Zaanse Hoeve. De blauwe super betaalt 2,5 keer meer dan wat FrieslandCampina extra betaalt aan zijn duurzame PlanetProof-melk. Zowel Jumbo als FrieslandCampina kunnen daar iets van leren. Hoe kan dat? Want ook Albert Heijn – de enige beursgenoteerde supermarktorganisatie van ons land – let op de kleintjes.

In een persbericht liet Jumbo gisterenavond weten dat de supermarktketen graag wil werken met boeren aan een beter verdienmodel voor boeren. Net als Albert Heijn dus, dat boeren al jaren anders behandelt dan Coca-Cola of Unilever. Ook al zijn de boeren van LTO meteen blij, daarmee zijn de FrieslandCampina-boeren nog lang niet geholpen natuurlijk. Hun bazen hadden beter moeten weten en al lang geleden een speciale keten kunnen maken met Jumbo en talloze andere afnemers. Jumbo is nu in ieder geval de wijste.

Jumbo liet gisteravond weten:
Een aantal van deze winkels heeft zelf communicatie opgesteld om klanten hierover te informeren. Hierbij is helaas onjuiste informatie verstrekt en dit heeft voor onduidelijkheid gezorgd. Dit was uiteraard niet de bedoeling en we vinden dit dan ook erg vervelend.

Naar aanleiding van de reacties op de foutief gedeelde informatie, willen we via deze weg graag benadrukken dat we grote waarde hechten aan de samenwerking met onze boeren en leveranciers en het belang zien van een goed verdienmodel in de hele keten. Zo kunnen onze klanten blijven genieten van de mooie, verse en gezonde producten van Nederlandse bodem.

FrieslandCampina lijkt te hebben gewonnen, maar trekt aan het kortste eind. De coöperatie moet leren dat het niet voor al zijn bijna 16.000 leden het geld in Nederland kan verdienen; verreweg het grootste deel van de melk wordt zonder meerwaarde verwerkt en anoniem naar het buitenland verhandeld. Marktleider Albert Heijn (35,5% marktaandeel) kan met een paar honderd speciaal voor de Zaanse super werkende boeren meer onderscheid voor hun melk en voor zichzelf maken en verbindt zijn lot daarom met die boeren. Daarom laat de blauwe super zijn boeren niet vallen als er iets aan de hand is. En omgekeerd. Jumbo gaat dat nu waarschijnlijk ook doen. Nog vele duizenden boeren moeten hun heil elders, in ketens met supermarkten die hun lot met hen verbinden zien te vinden.

De meest kenmerkende tweets van de melktwist op een rij:

We would like to say thanks to the author of this write-up for this awesome web content

‘Geen melk door droogte’ pakt verrassend uit – Jumbo behandelt boeren niet langer als Coca-Cola – Foodlog

) [summary] => Boerenbestuurder, melkveehouder en vader van een Boer-zoekt-Vrouw-kandidaat Jos Verstraten liet weten dat het flauwekul moest zijn. Ook BBB-voorvrouw Caroline van der Plas voelde aan haar water aan dat het briefje niet op waarheid kon berusten en vroeg Jumbo om opheldering. Nederland maakt genoeg melk voor vijf Nederlanden, zelfs in de winter als de koeien helemaal ... Read more [atom_content] =>

Boerenbestuurder, melkveehouder en vader van een Boer-zoekt-Vrouw-kandidaat Jos Verstraten liet weten dat het flauwekul moest zijn. Ook BBB-voorvrouw Caroline van der Plas voelde aan haar water aan dat het briefje niet op waarheid kon berusten en vroeg Jumbo om opheldering. Nederland maakt genoeg melk voor vijf Nederlanden, zelfs in de winter als de koeien helemaal geen vers gras eten.

Verstraten en Van der Plas hadden gelijk; dat bleek uit een intern bericht van FrieslandCampina, de melkleverancier van Jumbo, aan zijn boeren. Niks melktekort, liet de coöperatie haar leden weten. Ook Jumbo moest dat toegeven.

Toen maandag een Jumbo-winkelier uit Woerden in keurige woorden vertelde hoe het zat, werd definitief duidelijk wat er echt aan de hand is. De boeren willen beter betaald worden omdat hun energie- en voerkosten door de oorlog in Oekraïne omhoog gejaagd worden. En daar ging Jumbo niet in mee. En daarom draaide boerencoöperatie Royal FrieslandCampina de kraan dicht: geen betere prijs, geen melk. Zo onderhandelen Coca-Cola, Nestlé of Unilever ook met Jumbo als de supermarktinkopers de prijs die zij willen vangen niet van plan zijn te betalen. Ze leveren niet meer, met als gevolg lege schappen. Consumenten gaan dan elders hun geliefde merken kopen en doen daar dan meteen ook de rest van hun boodschappen.

Nog vele duizenden boeren moeten hun heil elders zien te vinden

Waarom niet bij Albert Heijn?
Maar waarom gebeurde iets soortgelijks niet bij marktleider Albert Heijn? Die pak je als fabrikant nl. liefst het eerste aan. Het blauwe merk werkt al sinds 2018 exclusief met een toegewijde groep boeren om ‘Beter voor …’-melk te maken. Met zulke boeren ga je anders om. AH betaalt hen al heel wat jaren meer dan de markt, niet alleen voor luxe melk maar sinds 2021 ook nog eens voor het doodgewone budgetmerk Zaanse Hoeve. De blauwe super betaalt 2,5 keer meer dan wat FrieslandCampina extra betaalt aan zijn duurzame PlanetProof-melk. Zowel Jumbo als FrieslandCampina kunnen daar iets van leren. Hoe kan dat? Want ook Albert Heijn – de enige beursgenoteerde supermarktorganisatie van ons land – let op de kleintjes.

In een persbericht liet Jumbo gisterenavond weten dat de supermarktketen graag wil werken met boeren aan een beter verdienmodel voor boeren. Net als Albert Heijn dus, dat boeren al jaren anders behandelt dan Coca-Cola of Unilever. Ook al zijn de boeren van LTO meteen blij, daarmee zijn de FrieslandCampina-boeren nog lang niet geholpen natuurlijk. Hun bazen hadden beter moeten weten en al lang geleden een speciale keten kunnen maken met Jumbo en talloze andere afnemers. Jumbo is nu in ieder geval de wijste.

Jumbo liet gisteravond weten:
Een aantal van deze winkels heeft zelf communicatie opgesteld om klanten hierover te informeren. Hierbij is helaas onjuiste informatie verstrekt en dit heeft voor onduidelijkheid gezorgd. Dit was uiteraard niet de bedoeling en we vinden dit dan ook erg vervelend.

Naar aanleiding van de reacties op de foutief gedeelde informatie, willen we via deze weg graag benadrukken dat we grote waarde hechten aan de samenwerking met onze boeren en leveranciers en het belang zien van een goed verdienmodel in de hele keten. Zo kunnen onze klanten blijven genieten van de mooie, verse en gezonde producten van Nederlandse bodem.

FrieslandCampina lijkt te hebben gewonnen, maar trekt aan het kortste eind. De coöperatie moet leren dat het niet voor al zijn bijna 16.000 leden het geld in Nederland kan verdienen; verreweg het grootste deel van de melk wordt zonder meerwaarde verwerkt en anoniem naar het buitenland verhandeld. Marktleider Albert Heijn (35,5% marktaandeel) kan met een paar honderd speciaal voor de Zaanse super werkende boeren meer onderscheid voor hun melk en voor zichzelf maken en verbindt zijn lot daarom met die boeren. Daarom laat de blauwe super zijn boeren niet vallen als er iets aan de hand is. En omgekeerd. Jumbo gaat dat nu waarschijnlijk ook doen. Nog vele duizenden boeren moeten hun heil elders, in ketens met supermarkten die hun lot met hen verbinden zien te vinden.

De meest kenmerkende tweets van de melktwist op een rij:

We would like to say thanks to the author of this write-up for this awesome web content

‘Geen melk door droogte’ pakt verrassend uit – Jumbo behandelt boeren niet langer als Coca-Cola – Foodlog

[date_timestamp] => 1652198765 ) [3] => Array ( [title] => New method to synchronize devices on Earth makes use of cosmic rays [link] => https://newsweather.org/healthandscience/new-method-to-synchronize-devices-on-earth-makes-use-of-cosmic-rays/ [dc] => Array ( [creator] => Tony Grantly ) [pubdate] => Tue, 10 May 2022 16:03:32 +0000 [category] => Health And SciencecosmicdevicesEarthmethodrayssynchronize [guid] => https://newsweather.org/?p=57899 [description] => Journal Reference: Hiroyuki K. M. Tanaka. Cosmic time synchronizer (CTS) for wireless and precise time synchronization using extended air showers. Scientific Reports, 2022; 12 (1) DOI: 10.1038/s41598-022-11104-z Humanity is intimately connected with the idea of time. Historically, we used the cosmos itself — stars, the sun, and the moon — to measure time and coordinate ... Read more [content] => Array ( [encoded] =>

Journal Reference:

  1. Hiroyuki K. M. Tanaka. Cosmic time synchronizer (CTS) for wireless and precise time synchronization using extended air showers. Scientific Reports, 2022; 12 (1) DOI: 10.1038/s41598-022-11104-z

Humanity is intimately connected with the idea of time. Historically, we used the cosmos itself — stars, the sun, and the moon — to measure time and coordinate our activities. It’s fitting, then, that researchers are looking out to the cosmos again to further develop our ability to keep time. Professor Hiroyuki Tanaka from Muographix at the University of Tokyo devised and tested a way to synchronize multiple devices, so they agree upon the time, that makes use of cosmic rays from deep space. Appropriately, it’s called cosmic time synchronization (CTS).

“It’s relatively easy to keep time accurately these days. For example, atomic clocks have been doing this for decades now,” said Tanaka. “However, these are large and expensive devices that are very easy to disrupt. This is one reason I have been working on an improved way to keep time. The other is that, related to time measurement, position measurement could also be made better. So really, CTS is a precursor to a potential replacement for GPS, but that’s still a little further down the line.”

The reason it’s critical for devices to have a shared sense of time is that certain devices are increasingly important in many aspects of life. Computer networks responsible for financial transactions must agree upon time so that the order of transactions can be ensured. There are sensors that work in unison to observe various physical phenomena which need to agree upon time so that, for example, the origin of a particular reading can be determined. Such sensors could even potentially be part of some kind of disaster warning system.

CTS works thanks to cosmic rays from deep space that strike the atmosphere around 15 kilometers up, creating showers of particles including muons. The muons travel close to the speed of light, reaching the ground almost immediately, they can easily penetrate water or rock, and spread out as they travel to cover a few square kilometers of ground. Independent CTS-enabled devices under the same particle shower can detect the incoming muons, which will have a specific signature unique to the cosmic ray event that generated them. By sharing this information, CTS devices can confer with one another and synchronize their clocks according to when the cosmic ray event took place. The ultrahigh-energy cosmic ray strikes occur frequently enough, about a hundred times per hour over every square kilometer of Earth, for CTS devices to work together in real time.

“The principle is robust, and the technology, detectors and timing electronics already exist. So we could implement this idea relatively quickly,” said Tanaka. “Satellite-based time synchronization has so many blind spots at the poles, in mountainous regions or underwater, for example, and CTS could fill these gaps and more. The problem, as with any new technology, is one of adoption. Thomas Edison lit up Manhattan starting with a single light bulb. Perhaps we should take that approach, starting with a city block, then a district, and eventually we’ll synchronize the whole of Tokyo and beyond.”

We wish to thank the writer of this write-up for this awesome material

New method to synchronize devices on Earth makes use of cosmic rays

) [summary] => Journal Reference: Hiroyuki K. M. Tanaka. Cosmic time synchronizer (CTS) for wireless and precise time synchronization using extended air showers. Scientific Reports, 2022; 12 (1) DOI: 10.1038/s41598-022-11104-z Humanity is intimately connected with the idea of time. Historically, we used the cosmos itself — stars, the sun, and the moon — to measure time and coordinate ... Read more [atom_content] =>

Journal Reference:

  1. Hiroyuki K. M. Tanaka. Cosmic time synchronizer (CTS) for wireless and precise time synchronization using extended air showers. Scientific Reports, 2022; 12 (1) DOI: 10.1038/s41598-022-11104-z

Humanity is intimately connected with the idea of time. Historically, we used the cosmos itself — stars, the sun, and the moon — to measure time and coordinate our activities. It’s fitting, then, that researchers are looking out to the cosmos again to further develop our ability to keep time. Professor Hiroyuki Tanaka from Muographix at the University of Tokyo devised and tested a way to synchronize multiple devices, so they agree upon the time, that makes use of cosmic rays from deep space. Appropriately, it’s called cosmic time synchronization (CTS).

“It’s relatively easy to keep time accurately these days. For example, atomic clocks have been doing this for decades now,” said Tanaka. “However, these are large and expensive devices that are very easy to disrupt. This is one reason I have been working on an improved way to keep time. The other is that, related to time measurement, position measurement could also be made better. So really, CTS is a precursor to a potential replacement for GPS, but that’s still a little further down the line.”

The reason it’s critical for devices to have a shared sense of time is that certain devices are increasingly important in many aspects of life. Computer networks responsible for financial transactions must agree upon time so that the order of transactions can be ensured. There are sensors that work in unison to observe various physical phenomena which need to agree upon time so that, for example, the origin of a particular reading can be determined. Such sensors could even potentially be part of some kind of disaster warning system.

CTS works thanks to cosmic rays from deep space that strike the atmosphere around 15 kilometers up, creating showers of particles including muons. The muons travel close to the speed of light, reaching the ground almost immediately, they can easily penetrate water or rock, and spread out as they travel to cover a few square kilometers of ground. Independent CTS-enabled devices under the same particle shower can detect the incoming muons, which will have a specific signature unique to the cosmic ray event that generated them. By sharing this information, CTS devices can confer with one another and synchronize their clocks according to when the cosmic ray event took place. The ultrahigh-energy cosmic ray strikes occur frequently enough, about a hundred times per hour over every square kilometer of Earth, for CTS devices to work together in real time.

“The principle is robust, and the technology, detectors and timing electronics already exist. So we could implement this idea relatively quickly,” said Tanaka. “Satellite-based time synchronization has so many blind spots at the poles, in mountainous regions or underwater, for example, and CTS could fill these gaps and more. The problem, as with any new technology, is one of adoption. Thomas Edison lit up Manhattan starting with a single light bulb. Perhaps we should take that approach, starting with a city block, then a district, and eventually we’ll synchronize the whole of Tokyo and beyond.”

We wish to thank the writer of this write-up for this awesome material

New method to synchronize devices on Earth makes use of cosmic rays

[date_timestamp] => 1652198612 ) [4] => Array ( [title] => Uitgebreide reportage over het stikstofdrama van Averbode – Zelf geplante eiken oorzaak einde oude Vlaamse boerderij-abdij? – Foodlog [link] => https://newsweather.org/lifestyle/uitgebreide-reportage-over-het-stikstofdrama-van-averbode-zelf-geplante-eiken-oorzaak-einde-oude-vlaamse-boerderij-abdij-foodlog/ [dc] => Array ( [creator] => Paula Hooper ) [pubdate] => Tue, 10 May 2022 16:01:14 +0000 [category] => LifestyleAverbodeboerderijabdijeikeneindeFoodloggeplantehetoorzaakoudereportagestikstofdramaUitgebreideVanVlaamsezelf [guid] => https://newsweather.org/?p=57893 [description] => Voor Nathalie Buntinx en haar man Niels Froyen ging een droom in vervulling toen ze op de boerderij van de abdij van Averbode mochten komen werken: “Ik ben niet van boerenafkomst, Niels hielp thuis mee aan de zoogkoeien. Als je niet van thuis een boerderij kan overnemen, dan is het onbegonnen werk om van nul ... Read more [content] => Array ( [encoded] =>

Voor Nathalie Buntinx en haar man Niels Froyen ging een droom in vervulling toen ze op de boerderij van de abdij van Averbode mochten komen werken: “Ik ben niet van boerenafkomst, Niels hielp thuis mee aan de zoogkoeien. Als je niet van thuis een boerderij kan overnemen, dan is het onbegonnen werk om van nul zo’n bedrijf te starten. Niels werkte als agrobedrijfshulp (dat zijn mensen die boerderijen tijdelijk doen draaien als een landbouwer even op vakantie wil of buiten strijd is, nvdr) en ik was verpleegster. Via via kwam de abt bij ons uit om de boerderij te leiden.”

Begin april al viel de brief van de Vlaamse Landmaatschappij in de bus. “Op basis van de elementen aangenomen in het stikstofakkoord blijkt dat uw exploitatie behoort tot de piekbelasters”, klinkt het. De paters waren toen in volle voorbereiding op de Goede Week, maar nadien bracht abt Marc Fierens zijn verhaal in alle media. “Wij zijn 120 procent voor een goede natuur, we zijn hier altijd nauw met de natuur verbonden geweest. De voorbije jaren hebben we samen met de VLM, Natuur en Bos en Natuurpunt veel maatregelen genomen voor een goeie instandhouding van de natuur en om de historische landschappen met heide en veen hier rond de abdij te herstellen. Het was voor ons onthutsend en choquerend om dan koudweg via de telefoon en een bijna anonieme brief zonder veel informatie te vernemen dat onze boerderij dicht moet nadat wij in 2015 met alle instanties hebben samengezeten om een nieuwe vergunning te krijgen.”

De voorbije jaren hebben we samen met de VLM, Natuur en Bos en Natuurpunt veel maatregelen genomen voor een goeie instandhouding van de natuur en om de historische landschappen met heide en veen hier rond de abdij te herstellen

900 jaar geschiedenis
Averbode is een abdij van de Orde van de Premonstratenzers, beter bekend als de norbertijnen of de witheren naar hun karakteristieke witte habijt. De stichting op last van Arnold II, Graaf van Loon, dateert van 1134. De abdij is daarmee twee jaar ouder dan de klimmende Vlaamse leeuw die Filips van den Elzas meebracht van op de kruistochten. Met het historische Vlaanderen had de abdij trouwens weinig. Ze ligt op heuvelrug tussen Langdorp en Tessenderlo die eeuwenlang de grens vormde tussen het Graafschap Loon en later het Prinsbisdom Luik en het Hertogdom Brabant, twee regionale machten met een lange geschiedenis van vijandigheden waarbij de abdij dikwijls het slachtoffer werd van plunderingen. De norbertijnen verwierven systematisch nieuwe gronden om te ontginnen voor land- en bosbouw. Op het “Averbodium”, een kaart van midden de 17de eeuw, valt op dat het landschap toen voornamelijk bestond uit loofbossen onmiddellijk rondom de abdij; en uit heide- en vennenlandschappen in een volgende cirkel.

“Het is belangrijk om te begrijpen dat de heide en de vennengebieden geen natuurlijke, maar cultuurhistorische landschappen zijn”, zegt abt Fierens, “de moerassen werden ontveend om het water in gebruik te nemen als visvijvers. Wij mochten vroeger maar een kwart van het jaar vlees eten om religieuze redenen, dus de kweek van zoetwatervissen was voor ons heel belangrijk. De heide werd overdag begraasd door schapen en de plaggen gingen als bedding naar de potstallen waar de dieren overnachtten om nadien op de akkers gebracht te worden.”

Na de Franse revolutie raakte de abdij haar landerijen kwijt en werd het gebied door de adellijke familie de Merode ontwikkeld als productiebos vol Corsicaanse dennen en Amerikaanse eiken op kaarsrechte lijnen. Het hout verdween in de Limburgse mijnen en de Kempische steenbakkerijen. In 2004 werden 1500 hectare van het domein de Merode voor 22 miljoen euro verkocht aan de VLM en daarmee dus aan de Vlaams overheid.

Charter de Merode
In een charter verbonden alle betrokken overheden en Natuurpunt er zich toe om het gebied als één geheel te gaan beheren. Chris Steenwegen, vandaag parlementslid voor Groen, maar destijds kabinetschef van de groene ministers Dua en Tavernier, kent het project goed: “het was een unieke kans om zo’n groot gebied ineens te kunnen aankopen. In zo’n groot gebied kunnen de natuurlijke dynamieken die anders door versnippering verloren gaan hun gang gaan. Door de gronden naderhand door te verkopen aan verschillende andere overheden, Kempisch Landschap en Natuurpunt, werden middelen vrijgemaakt om er een Vlaamse grondenbank mee op te starten. Zo’n grondenbank is nuttig om gronden uit te ruilen waardoor je beter aaneengesloten gehelen natuur maar ook landbouw krijgt. De Abdij was toen één van de partners die het project volop steunden.”

Vanaf 2008 gaan grootschalige natuurherstelwerken van start om de historische heide en vennen en de inheemse loofbossen te herstellen. Door te plaggen met graafmachines wordt er plaats gemaakt om grote oppervlaktes heide te ontwikkelen. Van een leien dakje loopt dat niet. De burgerbeweging “Bosvrienden” organiseert betogingen en petities tegen de “kaalkap” en de “woestijnvlakte” die er in de naam van de natuurdoelen wordt geschapen.

Het project kreeg veel tegenkantingen, maar het resultaat mag gezien worden. In een brochure van Natuurpunt klinkt het dat de vegetatie zich verrassend snel herstelt: “Overal kiemen struikheideplantjes op de geplagde plekken. Liggende vleugeltjesbloem, stekelbrem en tormentil vinden hun weg in het vochtige heidelandschap. Veelstengelige waterbies, moerashertshooi en knolrus duiken op in de ondiepe kanten van de voedselarme wateren. Fraai hertshooi en mannetjesereprijs vinden hun gading in de overgangen naar het bos. Al enkele jaren zijn meerdere broedgevallen genoteerd van Nachtzwaluw, Boomleeuwerik en Boompieper. Deze vogelsoorten zijn typisch voor een gevarieerd landschap met bos, heide en grasland en reageerden direct op de landschapswijzigingen.”

Oud eikenbos
Terwijl de nieuwe natuur floreert, is het de oude natuur die de paters de das dreigt om te doen. Op Twitter viseert stikstofexpert David De Pue van het ILVO het oude eiken-berkenbos naast de melkveestal. ANB-woordvoerder Jeroen Denaeghel bevestigt dat het gaat om een overschrijding van de kritische depositiewaardes van de actuele habitat 9120 en de zoekzone 9190. Die codes staan voor oude Eiken-Berkenbossen op zeer voedselarm zand (9190) en Eiken-Beukenbossen op zure bodems (9120). Karakteristieke soorten zijn Lelietje-van-dalen, Dalkruid, Adelaarsvaren, Blauwe bosbes of Valse salie. Opvallend genoeg meldt de Natura2000-website dat het habitattype 9190 zich natuurlijk ontwikkelt tot 9120 door “rijping” van de bodem. In Averbode wil de overheid het blijkbaar graag andersom doen.

“150 jaar geleden werden er rond de abdij eiken geplant voor houtproductie”, zegt abt Fierens, “ze staan bovendien grotendeels op gronden die in onze eigendom zijn.” Ook in Maldegem betekent een oud abdijbos de doodsteek voor het varkens- en paardenbedrijf van vijftigers Luc en Kathleen Huyghe. Open VLD’er Bart Van Hulle was burgemeester van de Oost-Vlaamse gemeente en kent de situatie goed: “Mijn familie kweekt al zeven generaties bomen in Maldegem, wij hebben onszelf als boomkwekers altijd als lid van de boerengemeenschap gezien. Net zoals in Averbode werden er door de paters van de abdij van Drongen bomen geplant, vandaag is dat Drongengoedbos. Het voelt enorm wrang dat door ons ‘werk’ nu een ander levenswerk moet verdwijnen.”

De rationale argumenten voor het bedrijfsplan
Het doet de vragen rijzen over hoe doordacht het aanwijzen van de habitat-gebieden is gebeurd en of er wel vooraf is stilgestaan bij de gevolgen voor de aanpalende bedrijven. De regering Dewael gaf tussen 2002 en 2004 de natura2000-gebieden door aan de Europese Commissie. In 2014 vulde de regering Bourgeois de Europese instandhoudingsdoelstellingen (IHD) in met de zoekzones (plekken waar nog natuur moet gerealiseerd worden) en de doelarealen. Zo moest er bijvoorbeeld 40.000 hectare extra bos komen en 4000 hectare heide. De ambities formuleren ging bijzonder vlot, maar De Standaard reconstrueerde hoe “kwestiewerkgroepen” met onder andere het Agentschap Natuur en Bos, Natuurpunt en de boerenorganisaties en VOKA botsten over de concrete invulling . Het is uiteindelijk met computermodellen dat de fameuze rode lijst wordt samengesteld en er met de zoekzones wordt geschoven. Voor de Europese bescherming hadden natuurprojecten nooit impact gehad op de bedrijvigheid daarbuiten.

Opvallend genoeg is het de N-VA die in het parlement de charge voert tegen Averbode. Nadat eerder een ongefundeerd verslag over een illegale slachtvloer werd gelekt, beschuldigde fractieleider Wilfried Van Daele de paters van illegale bomenkap. Nochtans zijn de koeien van de norbertijnen landbouwkundig erfgoed die met hun rol in het drieslagstelsel een plekje op de Vlaamse canon verdienen.

De boerderij van Averbode had toen 30 Holstein-melkkoeien en een hele hoop zoogkoeien met hun gevolg. De akkerbouwtak was verlieslatend. Ze bewerkten ruim honderd hectare, meer dan genoeg grond dus, maar ze realiseerden hun economisch potentieel niet

“Het waren de abdijen rond de middeleeuwse Vlaamse en Brabantse steden die de braak van het drieslagstelsel begonnen te vervangen door de grasklaver waar koeien graasden. Doordat de klavers stikstof in de bodem fixeerden kon nadien zomertarwe gezaaid worden met een hoger eiwitgehalte. Als laatste teelt was er wintergerst die veel minder stikstof nodig had”, zegt melkvee-expert Wim Govaerts, “De koeien graasden op de grasklavers en van hun melk werd abdijkaas gemaakt. Van de zomertarwe werd abdijbrood gebakken en van de gerst werd abdijbier gebrouwen. Bier, kaas en brood, de poten van het drieslagstelsel en de trots van de abdijen.”

De Engelse agronoom Richard Weston schreef er in de 17de eeuw een boek over dat de basis zou leggen voor de landbouwrevolutie over het Kanaal: “A Discours of Husbandrie used in Brabant and Flanders: shewing the wonderful Improvement of Land there; and serving as a Pattern for our Practice in this Common-Wealth…” De abt zelf benadrukt het in alle gesprekken: de abdij heeft in 2015 opnieuw haar historische rol willen spelen om landbouw en natuur te verzoenen door een moderne stal te bouwen waar duurzaamheid en diercomfort centraal staan.

Govaerts begeleidde de abdij ruim tien jaar geleden in haar zoektocht naar een nieuw bedrijfsmodel. Hij trof er een bedrijf met rode cijfers dat qua arbeidsorganisatie en ergonomie voor de boer hopeloos achterhaald was. “De boerderij van Averbode had toen 30 Holstein-melkkoeien en een hele hoop zoogkoeien met hun gevolg. De akkerbouwtak was verlieslatend. Ze bewerkten ruim honderd hectare, meer dan genoeg grond dus, maar ze realiseerden hun economisch potentieel niet. We hebben toen samen een bedrijfsmodel met de juiste schaal gezocht en vragen gesteld. Het is ook belangrijk om te weten dat het zuiden van de Kempen met zijn arme zandgronden geen akkerbouwstreek is. Zonder veehouderij blijven de bodems daar niet vruchtbaar. Voorbij Diest begint dat te veranderen, daar zijn er goeie zandleembodems, die in een gangbare bedrijfsvoering vaak zuiver akkerbouwmatig uitgebaat worden.”

Toen Wervel 25 kaarsjes uitblies in 2015, waren we te gast in de abdij en vertelden de jonge boerin Nathalie en de toenmalige abt ons over hun plannen. De dubbeldoelkoeien, de grasklaver om soja en kunstmest te vermijden, de maatschappelijke betrokkenheid… Hun verhaal klopte

Het ondernemingsplan van een boerderij moet op maat van ieder bedrijf en iedere ondernemer gemaakt worden. Bovendien kiezen de ondernemers daarbij zelf het ontwikkelingspad dat best bij hun eigenheid aanleunt, benadrukt Govaerts. “De helft van de bedrijven die ik begeleid zijn bio-bedrijven, en dat zijn opties die we in Averbode ook allemaal overwogen hebben, zelfs met andere diersoorten en ook een veehouderij gekoppeld aan plantaardige productie voor directe menselijke consumptie. Ze hebben veel krenten uit de biologische pap genomen, maar een volledige overschakeling zag de toenmalige boer en daarmee ook de abdijgemeenschap niet zitten en zeker niet de ontwikkeling in een richting met eventueel gekoppelde plantaardige productie voor directe menselijke consumptie, wat het bedrijfsopzet veel ingewikkelder zou maken. Wel veel inzet van grasklaver in plaats van volop stikstofkunstmest-gebruik, en dubbeldoelkoeien van het Fleckvieh-ras die goed met ruwvoeder overweg kunnen en heel robuust zijn. Ze telen nu ook veldbonen als lokale eiwitbron om soja-import te vermijden. Met het aantal dieren dat ze nu hebben, zijn ze een grondgebonden veehouderij die haar kringlopen kan sluiten.”

Wervel
Ook Steenwegen kan het beamen: “Het is in Averbode dat we met norbertijn Luc Vankrunkelsven als drijvende kracht, in 1990 Wervel opgericht hebben: de Werkgroep voor Rechtvaardige en Verantwoorde landbouw. Toen Wervel 25 kaarsjes uitblies in 2015, waren we te gast in de abdij en vertelden de jonge boerin Nathalie en de toenmalige abt ons over hun plannen. De dubbeldoelkoeien, de grasklaver om soja en kunstmest te vermijden, de maatschappelijke betrokkenheid… Hun verhaal klopte.”

Vankrunkelsven is de oorspronkelijke stikstofstrijder in Vlaanderen. Lang voor er van arresten en depositiewaarden sprake was, kloeg hij de ravage aan van de grootschalige soja-teelt in Zuid-Amerika. De wonderboon is de bron het stikstofprobleem dat via de havens van Antwerpen en Rotterdam wordt aangevoerd. De gevolgen op menselijk en ecologisch gebied zijn er een pak ingrijpender dan het ecologisch wegconcurreren van dalkruid of valse salie. Ook nu nog blogt Vankrunkelsven vanuit Brazilië.

Het blijft opvallend dat de Vlaamse overheid het stikstofprobleem wil oplossen met lokale maatregelen – er wordt zelfs gedacht aan het vergunningsplichtig maken van beweiding – terwijl Europa met het handelsbeleid en het landbouwbeleid de hefbomen heeft voor structurele oplossingen. Door de exploderende prijzen – ook van soja – ziet de voedersector voor het eerst in jaren een verdienmodel om met alternatieve eiwitbronnen zoals insecten, dierlijke reststromen of voederbonen de afhankelijkheid van de transatlantische grondstoffen af te bouwen.

Juridisch robuust?
Bart Van Hulle betwijfelt of de aanpak van de Vlaamse regering juridisch overeind zal blijven. En hij heeft ervaring met processen tegen de overheid. Zijn lokale verkiezingscampagne was gebouwd op een gemeentelijk belastingreglement dat hij aanvocht voor de Raad van State. Hij won en alle ondernemers in Maldegem kregen twee weken voor de verkiezingen honderden euro’s teruggestort. “Veel rode bedrijven hebben recent nog vergunningen vernieuwd, ze hebben positieve adviezen op zak van het Agentschap Natuur en Bos en ze hebben overnemers of jonge bedrijfsleiders zoals in Averbode. Volgens mij zijn dat rationele argumenten. We gaan onze boeren nodig hebben de komende jaren met voedselprijzen die door het dak gaan. Wat stelt minister Demir daar tegenover? Een percentage dat uit een computer is gerold op basis van gegevens uit 2015 die ze niet eens willen delen? Ik weet niet hoe dat voor een rechtbank stand kan houden. Alleen als je een proces kan vermijden, weet je zeker dat iets juridisch overeind blijft.”

Chris Steenwegen deelt de verontwaardiging over hoe Averbode behandeld wordt, maar is terughoudender om voluit de verdediging op te nemen. Bij Groen willen ze liever niet dat de Vlaamse regering het stikstofakkoord weer openbreekt. “Ik wil me niet uitspreken over individuele dossiers, en we weten dat er na de voorlopige stikstofregeling van 2015 nog heel wat vergunningen zijn afgeleverd waarvan je je kan afvragen hoe dit nog mogelijk was. Ik stoor me vooral aan de manier hoe de Abdij nu het deksel op de neus krijgt. En de zeer gebrekkige communicatie daarrond. Naar de toekomst zouden we toch met een breder palet criteria moeten kunnen werken om te kijken welke veebedrijven we als overheid willen steunen en vergunnen. Door alleen te focussen op stikstof dreigen we andere belangrijke aspecten uit het oog te verliezen. Een soort van scorekaart waarmee we een bedrijf zowel op vlak van grondgebondenheid en bodemkwaliteit, van klimaatimpact, van dierenwelzijn kunnen beoordelen.”

Ik wil niet moeten kiezen tussen de natuur en de boeren. Dat een bos of bijkomende heide het einde van uw bedrijf kan betekenen is een vreselijke gedachte

Grote vervuilers?
Volgens Govaerts is de Vlaamse regering te voortvarend geweest in haar communicatie: “Bij de voorstelling van het stikstofakkoord werd er te gemakkelijk gezegd dat de veertig grootste vervuilers zouden sluiten. Dat klopt natuurlijk niet. Het was eerlijker geweest om te zeggen dat men bedrijven ging sluiten die te dicht bij natuur liggen. Bij de vergunningsaanvraag ben ik niet betrokken geweest, maar ik kan maar vaststellen dat er daar afspraken gemaakt zijn en dat men daar nu op terugkomt. Voor hun bedrijfsvoering zijn in ieder geval genoeg rationele argumenten, zowel op ecologisch, economisch als maatschappelijk gebied.”

Au fond gaat het probleem van rode bedrijven breder dan de casus Averbode. Is de keuze om boerderijen bij natuur te sluiten maatschappelijk gedragen, of sluipt ze binnen in de besluitvorming via ambtelijke en technocratische processen? De tekst van de Habitatrichtlijn is vaag, maar de Europese rechtspraak maakt de invulling steeds concreter en onvatbaar voor parlementaire controle. In Nederland toonde het Planbureau voor de Leefomgeving (PBL) vorig jaar nog aan dat er in de praktijk nagenoeg geen verband is tussen de natuurkwaliteit in de Nederlandse natuurgebieden en de kritische depositiewaarden. Kritische bedenkingen over de accuraatheid van het stikstofmodel worden er door de ambtenarij niet met de Tweede Kamer gedeeld. In het stikstofakkoord van de Vlaamse regering gelden die fameuze KDW’s als absolute maatstaf.

Ook bij de Vlaamse parlementsleden leeft de bezorgdheid dat de kloof tussen landbouw en natuur juist groter wordt. Chris Steenwegen: “ik heb altijd geloofd in een samengaan van landbouw en natuur in een model van verweving. Dat levert de meeste maatschappelijke baten op. De veehouderij heeft wat ons betreft ook in de toekomst een belangrijke plaats in Vlaanderen. Maar hoe die er zal uitzien daar is dringend een breed debat voor nodig.”

Bart Van Hulle is nog kritischer. “Ik wil niet moeten kiezen tussen de natuur en de boeren. Dat een bos of bijkomende heide het einde van uw bedrijf kan betekenen is een vreselijke gedachte. Als we op dit pad verder gaan duwen we natuur en landbouw in een steeds dieper conflict, terwijl ze elkaar net de hand moeten reiken. Dat politiek akkoord is mooi voor de ministers om zich naar hun achterban te profileren, maar ik zou het liefst van al zien dat we ons samen aan tafel zetten een plan uitwerken waar we de komende dertig jaar naartoe willen. En dan samen aan de kar trekken.”

Dit artikel verscheen eerder deze week op VILT.

We want to say thanks to the writer of this write-up for this incredible content

Uitgebreide reportage over het stikstofdrama van Averbode – Zelf geplante eiken oorzaak einde oude Vlaamse boerderij-abdij? – Foodlog

) [summary] => Voor Nathalie Buntinx en haar man Niels Froyen ging een droom in vervulling toen ze op de boerderij van de abdij van Averbode mochten komen werken: “Ik ben niet van boerenafkomst, Niels hielp thuis mee aan de zoogkoeien. Als je niet van thuis een boerderij kan overnemen, dan is het onbegonnen werk om van nul ... Read more [atom_content] =>

Voor Nathalie Buntinx en haar man Niels Froyen ging een droom in vervulling toen ze op de boerderij van de abdij van Averbode mochten komen werken: “Ik ben niet van boerenafkomst, Niels hielp thuis mee aan de zoogkoeien. Als je niet van thuis een boerderij kan overnemen, dan is het onbegonnen werk om van nul zo’n bedrijf te starten. Niels werkte als agrobedrijfshulp (dat zijn mensen die boerderijen tijdelijk doen draaien als een landbouwer even op vakantie wil of buiten strijd is, nvdr) en ik was verpleegster. Via via kwam de abt bij ons uit om de boerderij te leiden.”

Begin april al viel de brief van de Vlaamse Landmaatschappij in de bus. “Op basis van de elementen aangenomen in het stikstofakkoord blijkt dat uw exploitatie behoort tot de piekbelasters”, klinkt het. De paters waren toen in volle voorbereiding op de Goede Week, maar nadien bracht abt Marc Fierens zijn verhaal in alle media. “Wij zijn 120 procent voor een goede natuur, we zijn hier altijd nauw met de natuur verbonden geweest. De voorbije jaren hebben we samen met de VLM, Natuur en Bos en Natuurpunt veel maatregelen genomen voor een goeie instandhouding van de natuur en om de historische landschappen met heide en veen hier rond de abdij te herstellen. Het was voor ons onthutsend en choquerend om dan koudweg via de telefoon en een bijna anonieme brief zonder veel informatie te vernemen dat onze boerderij dicht moet nadat wij in 2015 met alle instanties hebben samengezeten om een nieuwe vergunning te krijgen.”

De voorbije jaren hebben we samen met de VLM, Natuur en Bos en Natuurpunt veel maatregelen genomen voor een goeie instandhouding van de natuur en om de historische landschappen met heide en veen hier rond de abdij te herstellen

900 jaar geschiedenis
Averbode is een abdij van de Orde van de Premonstratenzers, beter bekend als de norbertijnen of de witheren naar hun karakteristieke witte habijt. De stichting op last van Arnold II, Graaf van Loon, dateert van 1134. De abdij is daarmee twee jaar ouder dan de klimmende Vlaamse leeuw die Filips van den Elzas meebracht van op de kruistochten. Met het historische Vlaanderen had de abdij trouwens weinig. Ze ligt op heuvelrug tussen Langdorp en Tessenderlo die eeuwenlang de grens vormde tussen het Graafschap Loon en later het Prinsbisdom Luik en het Hertogdom Brabant, twee regionale machten met een lange geschiedenis van vijandigheden waarbij de abdij dikwijls het slachtoffer werd van plunderingen. De norbertijnen verwierven systematisch nieuwe gronden om te ontginnen voor land- en bosbouw. Op het “Averbodium”, een kaart van midden de 17de eeuw, valt op dat het landschap toen voornamelijk bestond uit loofbossen onmiddellijk rondom de abdij; en uit heide- en vennenlandschappen in een volgende cirkel.

“Het is belangrijk om te begrijpen dat de heide en de vennengebieden geen natuurlijke, maar cultuurhistorische landschappen zijn”, zegt abt Fierens, “de moerassen werden ontveend om het water in gebruik te nemen als visvijvers. Wij mochten vroeger maar een kwart van het jaar vlees eten om religieuze redenen, dus de kweek van zoetwatervissen was voor ons heel belangrijk. De heide werd overdag begraasd door schapen en de plaggen gingen als bedding naar de potstallen waar de dieren overnachtten om nadien op de akkers gebracht te worden.”

Na de Franse revolutie raakte de abdij haar landerijen kwijt en werd het gebied door de adellijke familie de Merode ontwikkeld als productiebos vol Corsicaanse dennen en Amerikaanse eiken op kaarsrechte lijnen. Het hout verdween in de Limburgse mijnen en de Kempische steenbakkerijen. In 2004 werden 1500 hectare van het domein de Merode voor 22 miljoen euro verkocht aan de VLM en daarmee dus aan de Vlaams overheid.

Charter de Merode
In een charter verbonden alle betrokken overheden en Natuurpunt er zich toe om het gebied als één geheel te gaan beheren. Chris Steenwegen, vandaag parlementslid voor Groen, maar destijds kabinetschef van de groene ministers Dua en Tavernier, kent het project goed: “het was een unieke kans om zo’n groot gebied ineens te kunnen aankopen. In zo’n groot gebied kunnen de natuurlijke dynamieken die anders door versnippering verloren gaan hun gang gaan. Door de gronden naderhand door te verkopen aan verschillende andere overheden, Kempisch Landschap en Natuurpunt, werden middelen vrijgemaakt om er een Vlaamse grondenbank mee op te starten. Zo’n grondenbank is nuttig om gronden uit te ruilen waardoor je beter aaneengesloten gehelen natuur maar ook landbouw krijgt. De Abdij was toen één van de partners die het project volop steunden.”

Vanaf 2008 gaan grootschalige natuurherstelwerken van start om de historische heide en vennen en de inheemse loofbossen te herstellen. Door te plaggen met graafmachines wordt er plaats gemaakt om grote oppervlaktes heide te ontwikkelen. Van een leien dakje loopt dat niet. De burgerbeweging “Bosvrienden” organiseert betogingen en petities tegen de “kaalkap” en de “woestijnvlakte” die er in de naam van de natuurdoelen wordt geschapen.

Het project kreeg veel tegenkantingen, maar het resultaat mag gezien worden. In een brochure van Natuurpunt klinkt het dat de vegetatie zich verrassend snel herstelt: “Overal kiemen struikheideplantjes op de geplagde plekken. Liggende vleugeltjesbloem, stekelbrem en tormentil vinden hun weg in het vochtige heidelandschap. Veelstengelige waterbies, moerashertshooi en knolrus duiken op in de ondiepe kanten van de voedselarme wateren. Fraai hertshooi en mannetjesereprijs vinden hun gading in de overgangen naar het bos. Al enkele jaren zijn meerdere broedgevallen genoteerd van Nachtzwaluw, Boomleeuwerik en Boompieper. Deze vogelsoorten zijn typisch voor een gevarieerd landschap met bos, heide en grasland en reageerden direct op de landschapswijzigingen.”

Oud eikenbos
Terwijl de nieuwe natuur floreert, is het de oude natuur die de paters de das dreigt om te doen. Op Twitter viseert stikstofexpert David De Pue van het ILVO het oude eiken-berkenbos naast de melkveestal. ANB-woordvoerder Jeroen Denaeghel bevestigt dat het gaat om een overschrijding van de kritische depositiewaardes van de actuele habitat 9120 en de zoekzone 9190. Die codes staan voor oude Eiken-Berkenbossen op zeer voedselarm zand (9190) en Eiken-Beukenbossen op zure bodems (9120). Karakteristieke soorten zijn Lelietje-van-dalen, Dalkruid, Adelaarsvaren, Blauwe bosbes of Valse salie. Opvallend genoeg meldt de Natura2000-website dat het habitattype 9190 zich natuurlijk ontwikkelt tot 9120 door “rijping” van de bodem. In Averbode wil de overheid het blijkbaar graag andersom doen.

“150 jaar geleden werden er rond de abdij eiken geplant voor houtproductie”, zegt abt Fierens, “ze staan bovendien grotendeels op gronden die in onze eigendom zijn.” Ook in Maldegem betekent een oud abdijbos de doodsteek voor het varkens- en paardenbedrijf van vijftigers Luc en Kathleen Huyghe. Open VLD’er Bart Van Hulle was burgemeester van de Oost-Vlaamse gemeente en kent de situatie goed: “Mijn familie kweekt al zeven generaties bomen in Maldegem, wij hebben onszelf als boomkwekers altijd als lid van de boerengemeenschap gezien. Net zoals in Averbode werden er door de paters van de abdij van Drongen bomen geplant, vandaag is dat Drongengoedbos. Het voelt enorm wrang dat door ons ‘werk’ nu een ander levenswerk moet verdwijnen.”

De rationale argumenten voor het bedrijfsplan
Het doet de vragen rijzen over hoe doordacht het aanwijzen van de habitat-gebieden is gebeurd en of er wel vooraf is stilgestaan bij de gevolgen voor de aanpalende bedrijven. De regering Dewael gaf tussen 2002 en 2004 de natura2000-gebieden door aan de Europese Commissie. In 2014 vulde de regering Bourgeois de Europese instandhoudingsdoelstellingen (IHD) in met de zoekzones (plekken waar nog natuur moet gerealiseerd worden) en de doelarealen. Zo moest er bijvoorbeeld 40.000 hectare extra bos komen en 4000 hectare heide. De ambities formuleren ging bijzonder vlot, maar De Standaard reconstrueerde hoe “kwestiewerkgroepen” met onder andere het Agentschap Natuur en Bos, Natuurpunt en de boerenorganisaties en VOKA botsten over de concrete invulling . Het is uiteindelijk met computermodellen dat de fameuze rode lijst wordt samengesteld en er met de zoekzones wordt geschoven. Voor de Europese bescherming hadden natuurprojecten nooit impact gehad op de bedrijvigheid daarbuiten.

Opvallend genoeg is het de N-VA die in het parlement de charge voert tegen Averbode. Nadat eerder een ongefundeerd verslag over een illegale slachtvloer werd gelekt, beschuldigde fractieleider Wilfried Van Daele de paters van illegale bomenkap. Nochtans zijn de koeien van de norbertijnen landbouwkundig erfgoed die met hun rol in het drieslagstelsel een plekje op de Vlaamse canon verdienen.

De boerderij van Averbode had toen 30 Holstein-melkkoeien en een hele hoop zoogkoeien met hun gevolg. De akkerbouwtak was verlieslatend. Ze bewerkten ruim honderd hectare, meer dan genoeg grond dus, maar ze realiseerden hun economisch potentieel niet

“Het waren de abdijen rond de middeleeuwse Vlaamse en Brabantse steden die de braak van het drieslagstelsel begonnen te vervangen door de grasklaver waar koeien graasden. Doordat de klavers stikstof in de bodem fixeerden kon nadien zomertarwe gezaaid worden met een hoger eiwitgehalte. Als laatste teelt was er wintergerst die veel minder stikstof nodig had”, zegt melkvee-expert Wim Govaerts, “De koeien graasden op de grasklavers en van hun melk werd abdijkaas gemaakt. Van de zomertarwe werd abdijbrood gebakken en van de gerst werd abdijbier gebrouwen. Bier, kaas en brood, de poten van het drieslagstelsel en de trots van de abdijen.”

De Engelse agronoom Richard Weston schreef er in de 17de eeuw een boek over dat de basis zou leggen voor de landbouwrevolutie over het Kanaal: “A Discours of Husbandrie used in Brabant and Flanders: shewing the wonderful Improvement of Land there; and serving as a Pattern for our Practice in this Common-Wealth…” De abt zelf benadrukt het in alle gesprekken: de abdij heeft in 2015 opnieuw haar historische rol willen spelen om landbouw en natuur te verzoenen door een moderne stal te bouwen waar duurzaamheid en diercomfort centraal staan.

Govaerts begeleidde de abdij ruim tien jaar geleden in haar zoektocht naar een nieuw bedrijfsmodel. Hij trof er een bedrijf met rode cijfers dat qua arbeidsorganisatie en ergonomie voor de boer hopeloos achterhaald was. “De boerderij van Averbode had toen 30 Holstein-melkkoeien en een hele hoop zoogkoeien met hun gevolg. De akkerbouwtak was verlieslatend. Ze bewerkten ruim honderd hectare, meer dan genoeg grond dus, maar ze realiseerden hun economisch potentieel niet. We hebben toen samen een bedrijfsmodel met de juiste schaal gezocht en vragen gesteld. Het is ook belangrijk om te weten dat het zuiden van de Kempen met zijn arme zandgronden geen akkerbouwstreek is. Zonder veehouderij blijven de bodems daar niet vruchtbaar. Voorbij Diest begint dat te veranderen, daar zijn er goeie zandleembodems, die in een gangbare bedrijfsvoering vaak zuiver akkerbouwmatig uitgebaat worden.”

Toen Wervel 25 kaarsjes uitblies in 2015, waren we te gast in de abdij en vertelden de jonge boerin Nathalie en de toenmalige abt ons over hun plannen. De dubbeldoelkoeien, de grasklaver om soja en kunstmest te vermijden, de maatschappelijke betrokkenheid… Hun verhaal klopte

Het ondernemingsplan van een boerderij moet op maat van ieder bedrijf en iedere ondernemer gemaakt worden. Bovendien kiezen de ondernemers daarbij zelf het ontwikkelingspad dat best bij hun eigenheid aanleunt, benadrukt Govaerts. “De helft van de bedrijven die ik begeleid zijn bio-bedrijven, en dat zijn opties die we in Averbode ook allemaal overwogen hebben, zelfs met andere diersoorten en ook een veehouderij gekoppeld aan plantaardige productie voor directe menselijke consumptie. Ze hebben veel krenten uit de biologische pap genomen, maar een volledige overschakeling zag de toenmalige boer en daarmee ook de abdijgemeenschap niet zitten en zeker niet de ontwikkeling in een richting met eventueel gekoppelde plantaardige productie voor directe menselijke consumptie, wat het bedrijfsopzet veel ingewikkelder zou maken. Wel veel inzet van grasklaver in plaats van volop stikstofkunstmest-gebruik, en dubbeldoelkoeien van het Fleckvieh-ras die goed met ruwvoeder overweg kunnen en heel robuust zijn. Ze telen nu ook veldbonen als lokale eiwitbron om soja-import te vermijden. Met het aantal dieren dat ze nu hebben, zijn ze een grondgebonden veehouderij die haar kringlopen kan sluiten.”

Wervel
Ook Steenwegen kan het beamen: “Het is in Averbode dat we met norbertijn Luc Vankrunkelsven als drijvende kracht, in 1990 Wervel opgericht hebben: de Werkgroep voor Rechtvaardige en Verantwoorde landbouw. Toen Wervel 25 kaarsjes uitblies in 2015, waren we te gast in de abdij en vertelden de jonge boerin Nathalie en de toenmalige abt ons over hun plannen. De dubbeldoelkoeien, de grasklaver om soja en kunstmest te vermijden, de maatschappelijke betrokkenheid… Hun verhaal klopte.”

Vankrunkelsven is de oorspronkelijke stikstofstrijder in Vlaanderen. Lang voor er van arresten en depositiewaarden sprake was, kloeg hij de ravage aan van de grootschalige soja-teelt in Zuid-Amerika. De wonderboon is de bron het stikstofprobleem dat via de havens van Antwerpen en Rotterdam wordt aangevoerd. De gevolgen op menselijk en ecologisch gebied zijn er een pak ingrijpender dan het ecologisch wegconcurreren van dalkruid of valse salie. Ook nu nog blogt Vankrunkelsven vanuit Brazilië.

Het blijft opvallend dat de Vlaamse overheid het stikstofprobleem wil oplossen met lokale maatregelen – er wordt zelfs gedacht aan het vergunningsplichtig maken van beweiding – terwijl Europa met het handelsbeleid en het landbouwbeleid de hefbomen heeft voor structurele oplossingen. Door de exploderende prijzen – ook van soja – ziet de voedersector voor het eerst in jaren een verdienmodel om met alternatieve eiwitbronnen zoals insecten, dierlijke reststromen of voederbonen de afhankelijkheid van de transatlantische grondstoffen af te bouwen.

Juridisch robuust?
Bart Van Hulle betwijfelt of de aanpak van de Vlaamse regering juridisch overeind zal blijven. En hij heeft ervaring met processen tegen de overheid. Zijn lokale verkiezingscampagne was gebouwd op een gemeentelijk belastingreglement dat hij aanvocht voor de Raad van State. Hij won en alle ondernemers in Maldegem kregen twee weken voor de verkiezingen honderden euro’s teruggestort. “Veel rode bedrijven hebben recent nog vergunningen vernieuwd, ze hebben positieve adviezen op zak van het Agentschap Natuur en Bos en ze hebben overnemers of jonge bedrijfsleiders zoals in Averbode. Volgens mij zijn dat rationele argumenten. We gaan onze boeren nodig hebben de komende jaren met voedselprijzen die door het dak gaan. Wat stelt minister Demir daar tegenover? Een percentage dat uit een computer is gerold op basis van gegevens uit 2015 die ze niet eens willen delen? Ik weet niet hoe dat voor een rechtbank stand kan houden. Alleen als je een proces kan vermijden, weet je zeker dat iets juridisch overeind blijft.”

Chris Steenwegen deelt de verontwaardiging over hoe Averbode behandeld wordt, maar is terughoudender om voluit de verdediging op te nemen. Bij Groen willen ze liever niet dat de Vlaamse regering het stikstofakkoord weer openbreekt. “Ik wil me niet uitspreken over individuele dossiers, en we weten dat er na de voorlopige stikstofregeling van 2015 nog heel wat vergunningen zijn afgeleverd waarvan je je kan afvragen hoe dit nog mogelijk was. Ik stoor me vooral aan de manier hoe de Abdij nu het deksel op de neus krijgt. En de zeer gebrekkige communicatie daarrond. Naar de toekomst zouden we toch met een breder palet criteria moeten kunnen werken om te kijken welke veebedrijven we als overheid willen steunen en vergunnen. Door alleen te focussen op stikstof dreigen we andere belangrijke aspecten uit het oog te verliezen. Een soort van scorekaart waarmee we een bedrijf zowel op vlak van grondgebondenheid en bodemkwaliteit, van klimaatimpact, van dierenwelzijn kunnen beoordelen.”

Ik wil niet moeten kiezen tussen de natuur en de boeren. Dat een bos of bijkomende heide het einde van uw bedrijf kan betekenen is een vreselijke gedachte

Grote vervuilers?
Volgens Govaerts is de Vlaamse regering te voortvarend geweest in haar communicatie: “Bij de voorstelling van het stikstofakkoord werd er te gemakkelijk gezegd dat de veertig grootste vervuilers zouden sluiten. Dat klopt natuurlijk niet. Het was eerlijker geweest om te zeggen dat men bedrijven ging sluiten die te dicht bij natuur liggen. Bij de vergunningsaanvraag ben ik niet betrokken geweest, maar ik kan maar vaststellen dat er daar afspraken gemaakt zijn en dat men daar nu op terugkomt. Voor hun bedrijfsvoering zijn in ieder geval genoeg rationele argumenten, zowel op ecologisch, economisch als maatschappelijk gebied.”

Au fond gaat het probleem van rode bedrijven breder dan de casus Averbode. Is de keuze om boerderijen bij natuur te sluiten maatschappelijk gedragen, of sluipt ze binnen in de besluitvorming via ambtelijke en technocratische processen? De tekst van de Habitatrichtlijn is vaag, maar de Europese rechtspraak maakt de invulling steeds concreter en onvatbaar voor parlementaire controle. In Nederland toonde het Planbureau voor de Leefomgeving (PBL) vorig jaar nog aan dat er in de praktijk nagenoeg geen verband is tussen de natuurkwaliteit in de Nederlandse natuurgebieden en de kritische depositiewaarden. Kritische bedenkingen over de accuraatheid van het stikstofmodel worden er door de ambtenarij niet met de Tweede Kamer gedeeld. In het stikstofakkoord van de Vlaamse regering gelden die fameuze KDW’s als absolute maatstaf.

Ook bij de Vlaamse parlementsleden leeft de bezorgdheid dat de kloof tussen landbouw en natuur juist groter wordt. Chris Steenwegen: “ik heb altijd geloofd in een samengaan van landbouw en natuur in een model van verweving. Dat levert de meeste maatschappelijke baten op. De veehouderij heeft wat ons betreft ook in de toekomst een belangrijke plaats in Vlaanderen. Maar hoe die er zal uitzien daar is dringend een breed debat voor nodig.”

Bart Van Hulle is nog kritischer. “Ik wil niet moeten kiezen tussen de natuur en de boeren. Dat een bos of bijkomende heide het einde van uw bedrijf kan betekenen is een vreselijke gedachte. Als we op dit pad verder gaan duwen we natuur en landbouw in een steeds dieper conflict, terwijl ze elkaar net de hand moeten reiken. Dat politiek akkoord is mooi voor de ministers om zich naar hun achterban te profileren, maar ik zou het liefst van al zien dat we ons samen aan tafel zetten een plan uitwerken waar we de komende dertig jaar naartoe willen. En dan samen aan de kar trekken.”

Dit artikel verscheen eerder deze week op VILT.

We want to say thanks to the writer of this write-up for this incredible content

Uitgebreide reportage over het stikstofdrama van Averbode – Zelf geplante eiken oorzaak einde oude Vlaamse boerderij-abdij? – Foodlog

[date_timestamp] => 1652198474 ) [5] => Array ( [title] => Pulitzer Prize 2022: কোভিডকালের ছবি স্তম্ভিত করেছে বিশ্বকে, মরণোত্তর পুলিৎজার Danish Siddiqui-র [link] => https://newsweather.org/international/pulitzer-prize-2022-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ad/ [dc] => Array ( [creator] => Paula Hooper ) [pubdate] => Tue, 10 May 2022 15:59:21 +0000 [category] => InternationalDanishPrizePulitzerSiddiquiরকভডকলরকরছছবপলৎজরবশবকমরণততরসতমভত [guid] => https://newsweather.org/?p=57887 [description] => মরণোত্তর পুলিৎজার পুরস্কারে ভূষিত হলেন দানিশ সিদ্দিকি (Danish Siddiqui)। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য এই সম্মান পেলেন ভারতীয় চিত্র সাংবাদিক দানিশ। কোভিড অতিমারি (Covid19 Pandemic) পর্বে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দানিশের তোলা ছবি মুগ্ধ করেছে গোটা দুনিয়াকে। তাঁর এই অবদানের জন্যই সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হল তাঁকে। ২০২১ সালের ১৬ জুলাই। আফগানিস্তানের যুদ্ধের (Afghanistan War) সময় ছবি ... Read more [content] => Array ( [encoded] =>
মরণোত্তর পুলিৎজার পুরস্কারে ভূষিত হলেন দানিশ সিদ্দিকি (Danish Siddiqui)। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য এই সম্মান পেলেন ভারতীয় চিত্র সাংবাদিক দানিশ। কোভিড অতিমারি (Covid19 Pandemic) পর্বে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দানিশের তোলা ছবি মুগ্ধ করেছে গোটা দুনিয়াকে। তাঁর এই অবদানের জন্যই সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হল তাঁকে। ২০২১ সালের ১৬ জুলাই। আফগানিস্তানের যুদ্ধের (Afghanistan War) সময় ছবি তুলতে গিয়ে তালিবানের গোলাবর্ষণে প্রাণ হারান এই ভারতীয় চিত্র সাংবাদিক।

আফগান-তালিবান গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়নি দানিশ সিদ্দিকির! মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
৩৮ বছরেরে চিত্রসাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকির উদ্দেশ্যে পুলিৎজার কমিটি জুরি বোর্ডের বার্তা, ”গভীরতার ভারসাম্য এবং ধ্বংসের প্রতিচ্ছবি দেখিয়েছে তাঁর ছবিগুলি। একইসঙ্গে দর্শককে একটি উচ্চতর অনুভূতি প্রদান করেছে।” এর আগে ২০১৮ সালেও এই পুরস্কার পেয়েছিলেন দানিশ সিদ্দিকি। চিত্র সাংবাদিকতায় অনন্য ছাপ রেখেছিল দানিশের কোভিডকালের ছবিগুলি। গোটা দেশ ভারতে কোভিডে মৃত্যুর ছবিগুলি দেখে কেঁপে উঠেছিল। এমনটাই মনে করছেন দানিশের সংবাদ সংস্থার এডিটর-ইন-চিফ।

প্রসঙ্গত, প্রাথমিকভাবে আফগান সেনার দাবি ছিল, তালিবানের গুলিতেই প্রাণ হারায় দানিশ সিদ্দিকি। কাবুলের ভারতীয় দূতাবাসের ইস্যু করা ডেথ সার্টিফিকেটেও গুলিবিদ্ধ হয়েই মৃত্যুর উল্লেখ ছিল। তবে প্রায় মাসখানেক পর সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রয়টার্স সূত্রে খবর, গুলিতে মৃত্যু হয়নি চিত্র সাংবাদিকের। দানিশকে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে গিয়েছিল আফগানরা। সেখানেই দীর্ঘক্ষণ পড়ে ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সম্ভবত চিকিৎসার অভাবেই মৃত্যু হয় দানিশের। আফগান সীমান্তে স্পিন বলডাক অঞ্চলের বাজারে ছবি তুলতে গিয়েছিলেন দানিশ। প্রথমে জানা গিয়েছিল সেখানেই আফগান সেনা ও তালিবানের গুলির লড়াইয়ের মাঝে পড়ে যান এই চিত্রসাংবাদিক।

eisamayদানিশ সাংবাদিক, তাই মারে জঙ্গিরা
দানিশ সিদ্দিকির পাশাপাশি এ বছর পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছেন ভারতের আরও তিন চিত্র সাংবাদিক। তালিকায় রয়েছেন, আদনান আবিদি, অমিত দাভে। সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন কাশ্মীরের মহিলা সাংবাদিক সানা ইরশাদ মাট্টু। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সাংবাদিক আদনান আবিদির এটি তৃতীয় পুলিৎজার পুরস্কার। দিল্লির রাজনৈতিক এবং সামাজিক বিষয়গুলি নিয়ে নিয়মিত ছবি তোলেন আবিদি। ঠিক একইরকমভাবে আমেদাবাদের চিত্র সাংবাদিক আমিত দাভেকেও চিত্র সাংবাদিকতায় তাঁর অবদানের জন্য এই সম্মান দেওয়া হয়েছে।

eisamayআফগানিস্তানে সংঘর্ষে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় সাংবাদিক
এদিকে, বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কাশ্মীরের চিত্র সাংবাদিক সানা ইরশাদ মাট্টুর নাম। কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর ছবি সাহসীকতার নজির তৈরি করেছেন বলেই মনে করছে পুলিৎজার কমিটির জুরি সদস্যরা।

We would like to say thanks to the writer of this article for this amazing material

Pulitzer Prize 2022: কোভিডকালের ছবি স্তম্ভিত করেছে বিশ্বকে, মরণোত্তর পুলিৎজার Danish Siddiqui-র

) [summary] => মরণোত্তর পুলিৎজার পুরস্কারে ভূষিত হলেন দানিশ সিদ্দিকি (Danish Siddiqui)। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য এই সম্মান পেলেন ভারতীয় চিত্র সাংবাদিক দানিশ। কোভিড অতিমারি (Covid19 Pandemic) পর্বে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দানিশের তোলা ছবি মুগ্ধ করেছে গোটা দুনিয়াকে। তাঁর এই অবদানের জন্যই সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হল তাঁকে। ২০২১ সালের ১৬ জুলাই। আফগানিস্তানের যুদ্ধের (Afghanistan War) সময় ছবি ... Read more [atom_content] =>
মরণোত্তর পুলিৎজার পুরস্কারে ভূষিত হলেন দানিশ সিদ্দিকি (Danish Siddiqui)। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য এই সম্মান পেলেন ভারতীয় চিত্র সাংবাদিক দানিশ। কোভিড অতিমারি (Covid19 Pandemic) পর্বে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দানিশের তোলা ছবি মুগ্ধ করেছে গোটা দুনিয়াকে। তাঁর এই অবদানের জন্যই সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হল তাঁকে। ২০২১ সালের ১৬ জুলাই। আফগানিস্তানের যুদ্ধের (Afghanistan War) সময় ছবি তুলতে গিয়ে তালিবানের গোলাবর্ষণে প্রাণ হারান এই ভারতীয় চিত্র সাংবাদিক।

আফগান-তালিবান গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়নি দানিশ সিদ্দিকির! মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
৩৮ বছরেরে চিত্রসাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকির উদ্দেশ্যে পুলিৎজার কমিটি জুরি বোর্ডের বার্তা, ”গভীরতার ভারসাম্য এবং ধ্বংসের প্রতিচ্ছবি দেখিয়েছে তাঁর ছবিগুলি। একইসঙ্গে দর্শককে একটি উচ্চতর অনুভূতি প্রদান করেছে।” এর আগে ২০১৮ সালেও এই পুরস্কার পেয়েছিলেন দানিশ সিদ্দিকি। চিত্র সাংবাদিকতায় অনন্য ছাপ রেখেছিল দানিশের কোভিডকালের ছবিগুলি। গোটা দেশ ভারতে কোভিডে মৃত্যুর ছবিগুলি দেখে কেঁপে উঠেছিল। এমনটাই মনে করছেন দানিশের সংবাদ সংস্থার এডিটর-ইন-চিফ।

প্রসঙ্গত, প্রাথমিকভাবে আফগান সেনার দাবি ছিল, তালিবানের গুলিতেই প্রাণ হারায় দানিশ সিদ্দিকি। কাবুলের ভারতীয় দূতাবাসের ইস্যু করা ডেথ সার্টিফিকেটেও গুলিবিদ্ধ হয়েই মৃত্যুর উল্লেখ ছিল। তবে প্রায় মাসখানেক পর সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রয়টার্স সূত্রে খবর, গুলিতে মৃত্যু হয়নি চিত্র সাংবাদিকের। দানিশকে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে গিয়েছিল আফগানরা। সেখানেই দীর্ঘক্ষণ পড়ে ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সম্ভবত চিকিৎসার অভাবেই মৃত্যু হয় দানিশের। আফগান সীমান্তে স্পিন বলডাক অঞ্চলের বাজারে ছবি তুলতে গিয়েছিলেন দানিশ। প্রথমে জানা গিয়েছিল সেখানেই আফগান সেনা ও তালিবানের গুলির লড়াইয়ের মাঝে পড়ে যান এই চিত্রসাংবাদিক।

eisamayদানিশ সাংবাদিক, তাই মারে জঙ্গিরা
দানিশ সিদ্দিকির পাশাপাশি এ বছর পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছেন ভারতের আরও তিন চিত্র সাংবাদিক। তালিকায় রয়েছেন, আদনান আবিদি, অমিত দাভে। সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন কাশ্মীরের মহিলা সাংবাদিক সানা ইরশাদ মাট্টু। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সাংবাদিক আদনান আবিদির এটি তৃতীয় পুলিৎজার পুরস্কার। দিল্লির রাজনৈতিক এবং সামাজিক বিষয়গুলি নিয়ে নিয়মিত ছবি তোলেন আবিদি। ঠিক একইরকমভাবে আমেদাবাদের চিত্র সাংবাদিক আমিত দাভেকেও চিত্র সাংবাদিকতায় তাঁর অবদানের জন্য এই সম্মান দেওয়া হয়েছে।

eisamayআফগানিস্তানে সংঘর্ষে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় সাংবাদিক
এদিকে, বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কাশ্মীরের চিত্র সাংবাদিক সানা ইরশাদ মাট্টুর নাম। কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর ছবি সাহসীকতার নজির তৈরি করেছেন বলেই মনে করছে পুলিৎজার কমিটির জুরি সদস্যরা।

We would like to say thanks to the writer of this article for this amazing material

Pulitzer Prize 2022: কোভিডকালের ছবি স্তম্ভিত করেছে বিশ্বকে, মরণোত্তর পুলিৎজার Danish Siddiqui-র

[date_timestamp] => 1652198361 ) [6] => Array ( [title] => Mr Bean: এবার বাংলাদেশের মাটিতে Mr Bean! হেসে কুটোপাটি ওপার বাংলা [link] => https://newsweather.org/entertainment/mr-bean-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-mr-bean/ [dc] => Array ( [creator] => David Lonit ) [pubdate] => Tue, 10 May 2022 15:30:36 +0000 [category] => EntertainmentBeanএবরওপরকটপটবলবলদশরমটতহস [guid] => https://newsweather.org/?p=57881 [description] => Mr Bean: সেকাল থেকে একাল…আট থেকে আশি সকলের প্রিয় চরিত্র মিস্টার বিন (Mr Bean)। আজ আর টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখলে সেই মিস্টার বিনকে আর দেখা যায় না। কিন্তু, আজও দর্শক ভোলেনি মিস্টার বিনের সেই নির্ভেজাল সারল্য। লন্ডনের অভিনেতা Rowan Atkinson ভিন্নস্বাদের চারিত্রিক অভিব্যক্তিতে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাওয়ার জোগাড় হতো দর্শকের। অভিনেতা Rowan Sebastian Atkinson ... Read more [content] => Array ( [encoded] =>

Mr Bean: সেকাল থেকে একাল…আট থেকে আশি সকলের প্রিয় চরিত্র মিস্টার বিন (Mr Bean)। আজ আর টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখলে সেই মিস্টার বিনকে আর দেখা যায় না। কিন্তু, আজও দর্শক ভোলেনি মিস্টার বিনের সেই নির্ভেজাল সারল্য। লন্ডনের অভিনেতা Rowan Atkinson ভিন্নস্বাদের চারিত্রিক অভিব্যক্তিতে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাওয়ার জোগাড় হতো দর্শকের। অভিনেতা Rowan Sebastian Atkinson নিজের নামে গোটা বিশ্ববাসীর কাছে যা না পরিচিত তার থেকে বেশি জনপ্রিয় ‘মিস্টার বিন’ হিসেবে। কিন্তু আপনি কি জানেন মিস্টার বিন (Mr Bean) এখন বাংলাদেশে (Bangladesh)!

Kanchan Mullick & Sreemoyee Chattoraj: পাশাপাশি হাসি মুখে কাঞ্চন-শ্রীময়ী, বির্তকের বর্ষপূর্তির আগে দিলেন বিশেষ বার্তা
হ্যাঁ, একদমই ঠিক পড়ছেন। মিস্টার বিন এখন রয়েছেন বাংলাদেশে। আবারও পর্দায় সেই হাসির জাদুকরকে দেখতে পাবেন বলে আশায় বুক বাঁধছেন তো…তাহলে শুনুন, মিস্টার বিন অর্থাৎ হাসির জাদুকর রোয়ান সেবাস্টিয়ান অ্যাটকিনসন নিজের দেশেই রয়েছেন। আর বাংলাদেশে দেখা দিয়েছে অবিকল মিস্টার বিনের প্রতিচ্ছবি। এমনটাই দাবি করছে বাংলাদেশবাসী। নির্বাক অভিনয়ের মাধ্যমে নয়ের দশকের দর্শককে যেমন হসাতেন মিস্টার বিন, এবার দর্শকের মনোরঞ্জনের জন্য বাংলাদেশের নতুন মিস্টার বিনও কি সেই পথেই হাঁটছেন? এই প্রশ্নই এখন দানা বাঁধছে সকলের মনে। রোয়ান সেবাস্টিয়ান অ্যাটকিনসন-এর মিস্টার বিন সম্প্রচারের প্রায় এক দশক পর এই খবর রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে।
eisamayShah Rukh Khan-এর Mannat-এর পাশের বহুতলে ভয়াবহ আগুন
সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে নতুন মিস্টার বিনের ভিডিয়ো। বাংলা ভাষায় কথা বলা নতুন মিস্টার বিনের ভিডিয়ো দেখে বোঝা দায় যে তিনি সত্যিই একজন অন্য ব্যক্তি! বাংলাদেশের এই নতুন মিস্টার বিনের আসল পরিচয় রাশেদ সিকদার। ইতিমধ্যেই নয়ের দশকের মিস্টার বিনের আদব-কায়দা, ভাবভঙ্গি সুন্দর রপ্ত করে ফেলেছেন। তিনি পেশায় একদন জাদুকর। বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানলে জাদু দেখান তিনি। আর এখন পুতুল হাতে বাংলাদেশের রাস্তায় মিস্টার বিন সেজে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন রাশেদ সিকদার।
eisamay“…আমি শিহরিত”, কীসের সাফল্যে আনন্দে আত্মহারা অক্ষয়?
১৫ এপিসোডের মিস্টার বিন সিরিজের মধ্য দিয়ে গোটা বিশ্বের দরবারে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন লন্ডনের মিস্টার বিন তথা অভিনেতা রোয়ান সেবাস্টিয়ান অ্যাটকিনসন। ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি ব্রিটিশ চ্যানেল ‘আইটিভি’-তে সর্বপ্রথম ‘মিস্টার বিন’ সিরিজের সম্প্রচার হয়। এক যুগ কেটে যাওয়ার পরও বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় মিস্টার বিনের পুরনো দিনের বিভিন্ন কীর্তিকলাপ। আর এখন তো আবার বাংলাদেশের মাটিতে পুতুল মিস্টার বিনের দেখা মিলেছে। আর খুব স্বাভাবিকভাবেই সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই ঝড়ের বেগে ভাইরাল হয়েছে।

We wish to say thanks to the author of this article for this remarkable material

Mr Bean: এবার বাংলাদেশের মাটিতে Mr Bean! হেসে কুটোপাটি ওপার বাংলা

) [summary] => Mr Bean: সেকাল থেকে একাল…আট থেকে আশি সকলের প্রিয় চরিত্র মিস্টার বিন (Mr Bean)। আজ আর টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখলে সেই মিস্টার বিনকে আর দেখা যায় না। কিন্তু, আজও দর্শক ভোলেনি মিস্টার বিনের সেই নির্ভেজাল সারল্য। লন্ডনের অভিনেতা Rowan Atkinson ভিন্নস্বাদের চারিত্রিক অভিব্যক্তিতে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাওয়ার জোগাড় হতো দর্শকের। অভিনেতা Rowan Sebastian Atkinson ... Read more [atom_content] =>

Mr Bean: সেকাল থেকে একাল…আট থেকে আশি সকলের প্রিয় চরিত্র মিস্টার বিন (Mr Bean)। আজ আর টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখলে সেই মিস্টার বিনকে আর দেখা যায় না। কিন্তু, আজও দর্শক ভোলেনি মিস্টার বিনের সেই নির্ভেজাল সারল্য। লন্ডনের অভিনেতা Rowan Atkinson ভিন্নস্বাদের চারিত্রিক অভিব্যক্তিতে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাওয়ার জোগাড় হতো দর্শকের। অভিনেতা Rowan Sebastian Atkinson নিজের নামে গোটা বিশ্ববাসীর কাছে যা না পরিচিত তার থেকে বেশি জনপ্রিয় ‘মিস্টার বিন’ হিসেবে। কিন্তু আপনি কি জানেন মিস্টার বিন (Mr Bean) এখন বাংলাদেশে (Bangladesh)!

Kanchan Mullick & Sreemoyee Chattoraj: পাশাপাশি হাসি মুখে কাঞ্চন-শ্রীময়ী, বির্তকের বর্ষপূর্তির আগে দিলেন বিশেষ বার্তা
হ্যাঁ, একদমই ঠিক পড়ছেন। মিস্টার বিন এখন রয়েছেন বাংলাদেশে। আবারও পর্দায় সেই হাসির জাদুকরকে দেখতে পাবেন বলে আশায় বুক বাঁধছেন তো…তাহলে শুনুন, মিস্টার বিন অর্থাৎ হাসির জাদুকর রোয়ান সেবাস্টিয়ান অ্যাটকিনসন নিজের দেশেই রয়েছেন। আর বাংলাদেশে দেখা দিয়েছে অবিকল মিস্টার বিনের প্রতিচ্ছবি। এমনটাই দাবি করছে বাংলাদেশবাসী। নির্বাক অভিনয়ের মাধ্যমে নয়ের দশকের দর্শককে যেমন হসাতেন মিস্টার বিন, এবার দর্শকের মনোরঞ্জনের জন্য বাংলাদেশের নতুন মিস্টার বিনও কি সেই পথেই হাঁটছেন? এই প্রশ্নই এখন দানা বাঁধছে সকলের মনে। রোয়ান সেবাস্টিয়ান অ্যাটকিনসন-এর মিস্টার বিন সম্প্রচারের প্রায় এক দশক পর এই খবর রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে।
eisamayShah Rukh Khan-এর Mannat-এর পাশের বহুতলে ভয়াবহ আগুন
সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে নতুন মিস্টার বিনের ভিডিয়ো। বাংলা ভাষায় কথা বলা নতুন মিস্টার বিনের ভিডিয়ো দেখে বোঝা দায় যে তিনি সত্যিই একজন অন্য ব্যক্তি! বাংলাদেশের এই নতুন মিস্টার বিনের আসল পরিচয় রাশেদ সিকদার। ইতিমধ্যেই নয়ের দশকের মিস্টার বিনের আদব-কায়দা, ভাবভঙ্গি সুন্দর রপ্ত করে ফেলেছেন। তিনি পেশায় একদন জাদুকর। বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানলে জাদু দেখান তিনি। আর এখন পুতুল হাতে বাংলাদেশের রাস্তায় মিস্টার বিন সেজে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন রাশেদ সিকদার।
eisamay“…আমি শিহরিত”, কীসের সাফল্যে আনন্দে আত্মহারা অক্ষয়?
১৫ এপিসোডের মিস্টার বিন সিরিজের মধ্য দিয়ে গোটা বিশ্বের দরবারে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন লন্ডনের মিস্টার বিন তথা অভিনেতা রোয়ান সেবাস্টিয়ান অ্যাটকিনসন। ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি ব্রিটিশ চ্যানেল ‘আইটিভি’-তে সর্বপ্রথম ‘মিস্টার বিন’ সিরিজের সম্প্রচার হয়। এক যুগ কেটে যাওয়ার পরও বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় মিস্টার বিনের পুরনো দিনের বিভিন্ন কীর্তিকলাপ। আর এখন তো আবার বাংলাদেশের মাটিতে পুতুল মিস্টার বিনের দেখা মিলেছে। আর খুব স্বাভাবিকভাবেই সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই ঝড়ের বেগে ভাইরাল হয়েছে।

We wish to say thanks to the author of this article for this remarkable material

Mr Bean: এবার বাংলাদেশের মাটিতে Mr Bean! হেসে কুটোপাটি ওপার বাংলা

[date_timestamp] => 1652196636 ) [7] => Array ( [title] => Best free sci-fi short movies [link] => https://newsweather.org/space/best-free-sci-fi-short-movies/ [dc] => Array ( [creator] => Paula Hooper ) [pubdate] => Tue, 10 May 2022 15:11:14 +0000 [category] => SpaceMoviesscifishort [guid] => https://newsweather.org/?p=57875 [description] => Who needs shows like The Expanse when you can load up YouTube and have dozens, maybe even hundreds of free sci-fi short movies at your fingertips? Well, we do, for a start but there’s certainly room for both in this world.  There are plenty of times when we want a more digestible, short-form chunk of ... Read more [content] => Array ( [encoded] =>

Who needs shows like The Expanse when you can load up YouTube and have dozens, maybe even hundreds of free sci-fi short movies at your fingertips? Well, we do, for a start but there’s certainly room for both in this world. 

There are plenty of times when we want a more digestible, short-form chunk of science fiction, something that’ll leave us satisfied without eating up too much of our lives. With The Twilight Zone cancelled – again – we’ve been turning to YouTube to get our mini sci-fi fix. And, more often than not, we’ve come away impressed.

We would like to thank the writer of this write-up for this outstanding content

Best free sci-fi short movies

) [summary] => Who needs shows like The Expanse when you can load up YouTube and have dozens, maybe even hundreds of free sci-fi short movies at your fingertips? Well, we do, for a start but there’s certainly room for both in this world.  There are plenty of times when we want a more digestible, short-form chunk of ... Read more [atom_content] =>

Who needs shows like The Expanse when you can load up YouTube and have dozens, maybe even hundreds of free sci-fi short movies at your fingertips? Well, we do, for a start but there’s certainly room for both in this world. 

There are plenty of times when we want a more digestible, short-form chunk of science fiction, something that’ll leave us satisfied without eating up too much of our lives. With The Twilight Zone cancelled – again – we’ve been turning to YouTube to get our mini sci-fi fix. And, more often than not, we’ve come away impressed.

We would like to thank the writer of this write-up for this outstanding content

Best free sci-fi short movies

[date_timestamp] => 1652195474 ) [8] => Array ( [title] => Guerre en Ukraine : la Russie accusée d’être derrière la cyberattaque ayant visé le réseau du satellite KA-SAT [link] => https://newsweather.org/world-news/guerre-en-ukraine-la-russie-accusee-detre-derriere-la-cyberattaque-ayant-vise-le-reseau-du-satellite-ka-sat/ [dc] => Array ( [creator] => Paula Hooper ) [pubdate] => Tue, 10 May 2022 15:07:12 +0000 [category] => World NewsaccuséeayantcyberattaqueDerrièredêtreguerreKASATréseauRussieSatelliteUkrainevisé [guid] => https://newsweather.org/?p=57869 [description] => L’Ukraine vue de la Station spatiale internationale (ISS), en avril 2020. JSC GATEWAY TO ASTRONAUT PHOTOGRAPHY OF EARTH L’Union européenne (UE) et le Royaume-Uni ont accusé, mardi 10 mai, la Russie d’être derrière la cyberattaque qui a temporairement paralysé une partie du réseau satellitaire de l’entreprise Viasat dans les premières heures de l’invasion de l’Ukraine par le Kremlin. ... Read more [content] => Array ( [encoded] =>

L’Union européenne (UE) et le Royaume-Uni ont accusé, mardi 10 mai, la Russie d’être derrière la cyberattaque qui a temporairement paralysé une partie du réseau satellitaire de l’entreprise Viasat dans les premières heures de l’invasion de l’Ukraine par le Kremlin. Dans une déclaration qui engage l’ensemble de ses Etats membres, l’UE « condamne fermement » cette opération, conduite selon elle par « la Fédération de Russie ».

Lire aussi : Guerre en Ukraine en direct : Poutine ne va pas s’arrêter au Donbass et compte sur un essoufflement du soutien à l’Ukraine, selon les services de renseignement des Etats-Unis

Les autorités britanniques ont fait de même, le Centre national de cybersécurité estimant qu’il est « quasi certain » que la Russie soit derrière la cyberattaque.

« Cette cyberattaque a eu un impact important, causant des pannes et des perturbations de communication à plusieurs entreprises, organismes publics et utilisateurs en Ukraine ainsi que dans plusieurs Etats membres. Cette cyberattaque inacceptable est un nouvel exemple des activités irresponsables que mène la Russie dans le cyberespace et une composante essentielle de son invasion illégale et injustifiée de l’Ukraine », a dénoncé l’UE dans sa déclaration « Il s’agit d’une preuve claire et évidente d’une attaque malveillante et délibérée de la Russie qui a eu des conséquences importantes sur des personnes et des entreprises ordinaires en Ukraine et à travers l’Europe », a pour sa part déclaré la ministre des affaires étrangères britannique, Liz Truss.

Lire aussi Guerre en Ukraine : les utilisateurs du réseau satellitaire Viasat victimes d’une cyberattaque

Une attaque qui s’est étendue bien au-delà de l’Ukraine

Le 24 février, alors que les chars russes se lançaient à l’assaut de Kiev, le réseau du satellite KA-SAT, géré par l’entreprise américaine Viasat, connaissait d’importantes perturbations, occasionnées par une attaque informatique. Cette dernière visait initialement l’armée ukrainienne, utilisatrice du réseau KA-SAT pour certains de ses échanges. Cette attaque a occasionné « une énorme perte de communication », avait reconnu un responsable ukrainien quelques semaines après les événements.

Lire aussi L’Ukraine reconnaît « une énorme perte de communication » après la cyberattaque contre le satellite KA-SAT

Mais les effets de cette offensive se sont ressentis bien au-delà des frontières ukrainiennes, touchant des entreprises et des particuliers dans toute l’Europe. Une ferme d’éoliennes en Allemagne a notamment été déconnectée du lien satellite qui en permettait le pilotage. En France, des centaines d’abonnés à Internet par satellite ont vu leur connexion brutalement interrompue.

Compte tenu de la cible initiale et du moment de son déclenchement, peu doutaient de l’identité des responsables de cette cyberattaque. Ce front commun de l’Europe – et plus largement de l’Occident – est cependant notable, car il s’oppose à un acte de guerre mené par la Russie qui a également touché des pays tiers, y compris des membres de l’Organisation du traité de l’Atlantique Nord (OTAN).

Des Pays-Bas à l’Estonie, en passant par l’Allemagne ou la République tchèque, de nombreux pays européens ont, par le biais de leurs ministères des affaires étrangères, relayé la dénonciation de la cyberattaque par l’UE. La France, qui n’a pour l’heure jamais formellement attribué une cyberattaque à un pays, a également rejoint le concert de ses alliés par la voix du directeur général de l’Agence nationale de la sécurité des systèmes d’information, Guillaume Poupard, sur son compte LinkedIn.

Les pays occidentaux ont pris très au sérieux cette attaque. Selon l’agence Reuters, la puissante National Security Agency, organisme qui dépend du département de la défense américain, a notamment contribué à l’enquête visant à en identifier les responsables. Selon Victor Zhora, directeur adjoint de l’agence de cybersécurité ukrainienne, « de nouveaux faits » ont été découverts récemment, faisant progresser les recherches.

We would love to thank the author of this article for this outstanding material

Guerre en Ukraine : la Russie accusée d’être derrière la cyberattaque ayant visé le réseau du satellite KA-SAT

) [summary] => L’Ukraine vue de la Station spatiale internationale (ISS), en avril 2020. JSC GATEWAY TO ASTRONAUT PHOTOGRAPHY OF EARTH L’Union européenne (UE) et le Royaume-Uni ont accusé, mardi 10 mai, la Russie d’être derrière la cyberattaque qui a temporairement paralysé une partie du réseau satellitaire de l’entreprise Viasat dans les premières heures de l’invasion de l’Ukraine par le Kremlin. ... Read more [atom_content] =>

L’Union européenne (UE) et le Royaume-Uni ont accusé, mardi 10 mai, la Russie d’être derrière la cyberattaque qui a temporairement paralysé une partie du réseau satellitaire de l’entreprise Viasat dans les premières heures de l’invasion de l’Ukraine par le Kremlin. Dans une déclaration qui engage l’ensemble de ses Etats membres, l’UE « condamne fermement » cette opération, conduite selon elle par « la Fédération de Russie ».

Lire aussi : Guerre en Ukraine en direct : Poutine ne va pas s’arrêter au Donbass et compte sur un essoufflement du soutien à l’Ukraine, selon les services de renseignement des Etats-Unis

Les autorités britanniques ont fait de même, le Centre national de cybersécurité estimant qu’il est « quasi certain » que la Russie soit derrière la cyberattaque.

« Cette cyberattaque a eu un impact important, causant des pannes et des perturbations de communication à plusieurs entreprises, organismes publics et utilisateurs en Ukraine ainsi que dans plusieurs Etats membres. Cette cyberattaque inacceptable est un nouvel exemple des activités irresponsables que mène la Russie dans le cyberespace et une composante essentielle de son invasion illégale et injustifiée de l’Ukraine », a dénoncé l’UE dans sa déclaration « Il s’agit d’une preuve claire et évidente d’une attaque malveillante et délibérée de la Russie qui a eu des conséquences importantes sur des personnes et des entreprises ordinaires en Ukraine et à travers l’Europe », a pour sa part déclaré la ministre des affaires étrangères britannique, Liz Truss.

Lire aussi Guerre en Ukraine : les utilisateurs du réseau satellitaire Viasat victimes d’une cyberattaque

Une attaque qui s’est étendue bien au-delà de l’Ukraine

Le 24 février, alors que les chars russes se lançaient à l’assaut de Kiev, le réseau du satellite KA-SAT, géré par l’entreprise américaine Viasat, connaissait d’importantes perturbations, occasionnées par une attaque informatique. Cette dernière visait initialement l’armée ukrainienne, utilisatrice du réseau KA-SAT pour certains de ses échanges. Cette attaque a occasionné « une énorme perte de communication », avait reconnu un responsable ukrainien quelques semaines après les événements.

Lire aussi L’Ukraine reconnaît « une énorme perte de communication » après la cyberattaque contre le satellite KA-SAT

Mais les effets de cette offensive se sont ressentis bien au-delà des frontières ukrainiennes, touchant des entreprises et des particuliers dans toute l’Europe. Une ferme d’éoliennes en Allemagne a notamment été déconnectée du lien satellite qui en permettait le pilotage. En France, des centaines d’abonnés à Internet par satellite ont vu leur connexion brutalement interrompue.

Compte tenu de la cible initiale et du moment de son déclenchement, peu doutaient de l’identité des responsables de cette cyberattaque. Ce front commun de l’Europe – et plus largement de l’Occident – est cependant notable, car il s’oppose à un acte de guerre mené par la Russie qui a également touché des pays tiers, y compris des membres de l’Organisation du traité de l’Atlantique Nord (OTAN).

Des Pays-Bas à l’Estonie, en passant par l’Allemagne ou la République tchèque, de nombreux pays européens ont, par le biais de leurs ministères des affaires étrangères, relayé la dénonciation de la cyberattaque par l’UE. La France, qui n’a pour l’heure jamais formellement attribué une cyberattaque à un pays, a également rejoint le concert de ses alliés par la voix du directeur général de l’Agence nationale de la sécurité des systèmes d’information, Guillaume Poupard, sur son compte LinkedIn.

Les pays occidentaux ont pris très au sérieux cette attaque. Selon l’agence Reuters, la puissante National Security Agency, organisme qui dépend du département de la défense américain, a notamment contribué à l’enquête visant à en identifier les responsables. Selon Victor Zhora, directeur adjoint de l’agence de cybersécurité ukrainienne, « de nouveaux faits » ont été découverts récemment, faisant progresser les recherches.

We would love to thank the author of this article for this outstanding material

Guerre en Ukraine : la Russie accusée d’être derrière la cyberattaque ayant visé le réseau du satellite KA-SAT

[date_timestamp] => 1652195232 ) [9] => Array ( [title] => অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে সহকারী নিয়োগ: ১০০ শূন্যপদের জন্য কীভাবে করবেন আবেদন? [link] => https://newsweather.org/lifestyle/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%ae-%e0%a6%95%e0%a7%8b-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ad-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87/ [dc] => Array ( [creator] => Pauline Moonlky ) [pubdate] => Tue, 10 May 2022 15:05:57 +0000 [category] => Lifestyle১০০অসমআবদনকঅপরটভকভবকরবনজনযনয়গবযঙকশনযপদরসহকর [guid] => https://newsweather.org/?p=57863 [description] => কোভিডের দাপট কমতেই দেশজুড়ে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে নিয়োগপর্ব। খুলে গিয়েছে নতুন প্রজন্মের জন্য চাকরির বহু সুযোগ। আর নিয়োগের ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বিভিন্ন ব্যাঙ্কও। এই প্রেক্ষিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক। এবারের বিজ্ঞপ্তিতে বিপুল সংখ্যাক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট অ্যাপেক্স ব্যাঙ্ক আসাম ডট কমে। অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে ... Read more [content] => Array ( [encoded] =>
কোভিডের দাপট কমতেই দেশজুড়ে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে নিয়োগপর্ব। খুলে গিয়েছে নতুন প্রজন্মের জন্য চাকরির বহু সুযোগ। আর নিয়োগের ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বিভিন্ন ব্যাঙ্কও। এই প্রেক্ষিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক। এবারের বিজ্ঞপ্তিতে বিপুল সংখ্যাক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট অ্যাপেক্স ব্যাঙ্ক আসাম ডট কমে। অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে ১০০ জন সহকারী পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হল। জেনে নিন আবেদনের পদ্ধতি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বাছাই পদ্ধতি এবং অন্যান্য বিবরণ।

অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক নিয়োগ ২০২২: কর্মী সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্যে আসাম কো-অপারেটিভ অ্যাপেক্স ব্যাঙ্ক লিমিটেড সহকারী পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীরা ২৯ এপ্রিল থেকে ১৩ মে-র মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সব মিলিয়ে ১০০টি শূন্যপদে নিয়োগ হবে।

খেলার কোটায় নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের, ১৪ ক্লার্ক ও অফিসার পদে চাকরির সুযোগ

মাথায় রাখতে হবে

অনলাইনে আবেদন জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০২২

আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৩ মে ২০২২

অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক নিয়োগ করবে

সহকারী – ১০০টি শূন্যপদ

eisamayISRO Jobs: নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি ISRO-র! কারা চাকরি পাবেন? জানুন

অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে আবেদনের যোগ্যতা:

শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে কোনও শাখায় স্নাতক হতে হবে। আবেদনকারীর নূন্যতম ৫৫ শতাংশ নন্বর থাকতে হবে। এবং সেই সঙ্গে কম্পিউটারের জ্ঞান থাকা আবশ্যিক।

অভিজ্ঞতা – নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক। সহকারী বা সমতুল্য যে কোনও পদে , কোনও সরকারি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে কাজের অভিজ্ঞতা যে প্রার্থীদের রয়েছে, তারা নিয়োগ-প্রক্রিয়ায় ১০ নম্বর বেশি পাবেন। এক্ষেত্রে ন্যূনতম তিন বছর বা তার বেশি কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়ঃসীমা – আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২১ বছর থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে।

কীভাবে নিয়োগ – প্রথমে লিখিত পরীক্ষা এবং তাপর ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে আসাম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে সহকারী পদে নিয়োগ করা হবে।

বেতন

পে স্কেল – ১৮৭৩০ টাকা থেকে ৬৮০৪০ টাকা, তার সঙ্গে ৪৪০০ টাকা গ্রেড পে ও অন্যান্য ভাতা।

আসাম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে আবেদনপত্র

eisamaySadhath Khan: JEE Mains-এ ব্যর্থ হয়েও 26 লাখের চাকরি, হায়দ্রাবাদের বিস্ময় তরুণ সাদাত খানকে চেনেন?
আগ্রহী ও যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা ২৯ এপ্রিল থেকে ১৩ মে-র মধ্যে তাঁদের আবেদন জমা দিতে পারেন। অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রার্থীরা ফর্মের প্রিন্টআউটও বার করে রাখতে পারেন।

We would love to say thanks to the writer of this article for this incredible content

অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে সহকারী নিয়োগ: ১০০ শূন্যপদের জন্য কীভাবে করবেন আবেদন?

) [summary] => কোভিডের দাপট কমতেই দেশজুড়ে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে নিয়োগপর্ব। খুলে গিয়েছে নতুন প্রজন্মের জন্য চাকরির বহু সুযোগ। আর নিয়োগের ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বিভিন্ন ব্যাঙ্কও। এই প্রেক্ষিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক। এবারের বিজ্ঞপ্তিতে বিপুল সংখ্যাক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট অ্যাপেক্স ব্যাঙ্ক আসাম ডট কমে। অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে ... Read more [atom_content] =>
কোভিডের দাপট কমতেই দেশজুড়ে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে নিয়োগপর্ব। খুলে গিয়েছে নতুন প্রজন্মের জন্য চাকরির বহু সুযোগ। আর নিয়োগের ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বিভিন্ন ব্যাঙ্কও। এই প্রেক্ষিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক। এবারের বিজ্ঞপ্তিতে বিপুল সংখ্যাক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট অ্যাপেক্স ব্যাঙ্ক আসাম ডট কমে। অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে ১০০ জন সহকারী পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হল। জেনে নিন আবেদনের পদ্ধতি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বাছাই পদ্ধতি এবং অন্যান্য বিবরণ।

অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক নিয়োগ ২০২২: কর্মী সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্যে আসাম কো-অপারেটিভ অ্যাপেক্স ব্যাঙ্ক লিমিটেড সহকারী পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীরা ২৯ এপ্রিল থেকে ১৩ মে-র মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সব মিলিয়ে ১০০টি শূন্যপদে নিয়োগ হবে।

খেলার কোটায় নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের, ১৪ ক্লার্ক ও অফিসার পদে চাকরির সুযোগ

মাথায় রাখতে হবে

অনলাইনে আবেদন জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০২২

আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৩ মে ২০২২

অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক নিয়োগ করবে

সহকারী – ১০০টি শূন্যপদ

eisamayISRO Jobs: নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি ISRO-র! কারা চাকরি পাবেন? জানুন

অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে আবেদনের যোগ্যতা:

শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে কোনও শাখায় স্নাতক হতে হবে। আবেদনকারীর নূন্যতম ৫৫ শতাংশ নন্বর থাকতে হবে। এবং সেই সঙ্গে কম্পিউটারের জ্ঞান থাকা আবশ্যিক।

অভিজ্ঞতা – নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক। সহকারী বা সমতুল্য যে কোনও পদে , কোনও সরকারি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে কাজের অভিজ্ঞতা যে প্রার্থীদের রয়েছে, তারা নিয়োগ-প্রক্রিয়ায় ১০ নম্বর বেশি পাবেন। এক্ষেত্রে ন্যূনতম তিন বছর বা তার বেশি কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়ঃসীমা – আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২১ বছর থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে।

কীভাবে নিয়োগ – প্রথমে লিখিত পরীক্ষা এবং তাপর ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে আসাম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে সহকারী পদে নিয়োগ করা হবে।

বেতন

পে স্কেল – ১৮৭৩০ টাকা থেকে ৬৮০৪০ টাকা, তার সঙ্গে ৪৪০০ টাকা গ্রেড পে ও অন্যান্য ভাতা।

আসাম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে আবেদনপত্র

eisamaySadhath Khan: JEE Mains-এ ব্যর্থ হয়েও 26 লাখের চাকরি, হায়দ্রাবাদের বিস্ময় তরুণ সাদাত খানকে চেনেন?
আগ্রহী ও যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা ২৯ এপ্রিল থেকে ১৩ মে-র মধ্যে তাঁদের আবেদন জমা দিতে পারেন। অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রার্থীরা ফর্মের প্রিন্টআউটও বার করে রাখতে পারেন।

We would love to say thanks to the writer of this article for this incredible content

অসম কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে সহকারী নিয়োগ: ১০০ শূন্যপদের জন্য কীভাবে করবেন আবেদন?

[date_timestamp] => 1652195157 ) ) [channel] => Array ( [title] => News Weather [link] => https://newsweather.org [lastbuilddate] => Tue, 10 May 2022 16:29:56 +0000 [language] => en-US [sy] => Array ( [updateperiod] => hourly [updatefrequency] => 1 ) [generator] => https://wordpress.org/?v=5.9.3 [tagline] => ) [textinput] => Array ( ) [image] => Array ( ) [feed_type] => RSS [feed_version] => 2.0 [encoding] => WINDOWS-1250 [_source_encoding] => [ERROR] => [WARNING] => [_CONTENT_CONSTRUCTS] => Array ( [0] => content [1] => summary [2] => info [3] => title [4] => tagline [5] => copyright ) [_KNOWN_ENCODINGS] => Array ( [0] => UTF-8 [1] => US-ASCII [2] => ISO-8859-1 ) [stack] => Array ( ) [inchannel] => [initem] => [incontent] => [intextinput] => [inimage] => [current_namespace] => [last_modified] => Tue, 10 May 2022 16:29:56 GMT [etag] => "eec4081214e3be9a474302c163e08177-gzip" )